বিনোদন দেওয়াই লক্ষ্য, ব্যবসা নয় :‌ শাহরুখ খান

0
71

সারা দেশের অগণিত মুগ্ধ দর্শক, ফ্যান, চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজকরা বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ১৯৬৫ সালের ২ নভেম্বরই বাবা মার কোল আলোকিত করে পৃথিবীতে আসেন তিনি। এদিন ৫৩ বছরে পদার্পণ করে তিনি।

বলিউডের বাদশাহ তিনি। তাঁর জন্মদিনে গণউন্মাদনা দেখা যাবে না, তা কি হয়?‌ প্রত্যাশামতোই বৃহস্পতিবার জন্মদিনে শাহরুখ খানের বাংলোর সামনে ভক্তদের ভিড়। শুভেচ্ছার প্লাবনে ভেসে গেলেন সুপারস্টার। প্রতিবছরের মতো এবারও বুধবার রাত ১২টা থেকেই শাহরুখের বাংলো ‘‌মন্নত’‌–এর সামনে ভিড় জমিয়েছিলেন ভক্তরা। তবে ভক্তদের হতাশ করে বাংলোতে ছিলেন না শাহরুখ বরং বলিউডের ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়ে তিনি সপরিবারে চলে গিয়েছিলেন আলিবাগে খামারবাড়িতে। সেখানেই বুধবার সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয়ে যায় জন্মদিনের উৎসব।

পার্টিতে ছিলেন আলিয়া ভাট, দীপিকা পাড়ুকোন, ক্যাটরিনা কাইফ, মালাইকা অরোরা, অমৃতা অরোরা, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, ফারহা খান এবং করণ জোহর। ছিলেন তাঁর স্ত্রী গৌরী খান এবং তিন সন্তান। তবে বাংলোর ভক্তরা হতাশ হলেও আলিবাগের রিসোর্টে যে ভক্তরা শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন তাঁদের হতাশ করেননি শাহরুখ। সেখান থেকে ভক্তদের দর্শন দেন তিনি। বুধবার রাতেই তিনি আলিবাগে তাঁর খামারবাড়িতে চলে যান। সেখানেই পরিবার, বন্ধুবান্ধব নিয়ে জন্মদিনের মূল অনুষ্ঠান হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি মুম্বইয়ে মন্নতে তাঁর বাড়িতে ফিরে আসেন। সেখানে আর এক দফা কেক কাটা হয়। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গেও দেখা করেন।

‘‌এই জগতে কারও খ্যাতিই চিরদিন থাকে না। একদিন না একদিন আজকের খ্যাতি মলিন হতে শুরু করে। তবুও একজন মানুষ যা পেয়েছেন তাই নিয়েই তাঁর সুখী থাকা উচিত’‌— নিজের জন্মদিনে এমনই উপলব্ধি শাহরুখ খানের। নিজের খ্যাতি সম্পর্কে তিনি বলেন ‘‌আমি বিশ্বাস করি আজকেই যদি আমার এই তারকা–‌‌খ্যাতি শেষ হয়ে যায়, তাহলেও হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কারণ, এতদিন ধরে যেটুকু পেয়েছি সেটাই আগামীকাল বা ছয় বছর পরে আমার কাছে সুখের অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। আমার দর্শকরাও আমার কাজগুলিকে মনে রাখবে।’‌

তিনি বলেন, ‘‌এই মুহূর্তে জীবন বা ক্যারিয়ারের যে জায়গায় আছি‌, আমার প্রায় সব কিছুই পাওয়া হয়ে গেছে। একটা সুন্দর পরিবার পেয়েছি, অর্থ পেয়েছি, খ্যাতি পেয়েছি, স্টারডম পেয়েছি, ব্যবসা ভাল চলছে এবং সবার ওপর এখনও শারীরিকভাবে আমি সুস্থ ও সক্ষম। আল্লাহ আমার প্রতি সদয়। একটা মানুষের আর নতুন করে কী চাই?‌ যে বিশ্বাস নিয়ে আমি এতদিন কাজ করে এসেছি, সেই বিশ্বাস নিয়েই শেষ দিন পর্যন্ত এগিয়ে যাব। এবং সেটা অর্থনীতি বা বাণিজ্য নয়, মানুষকে সিনেমার মধ্যে দিয়ে একটা সুন্দর বিনোদন