হাসান জাকির:

সমাজ পরিবর্তনের সাথে সাথে পাল্টে যাচ্ছে অপরাধের ধরণ। নানা কৌশল নিচ্ছে অপরাধীরা। এর সাথে যুক্ত হয়েছে গৃহপরিচারিকা। অপরাধী চক্র বিভিন্ন বাড়িতে গৃহপরিচারিকা নিয়োগ দিয়ে এদের দিয়েই লুটে নিচ্ছে বাড়ির সর্বস্ব।

অপরাধ বিজ্ঞানীরা গৃহপরিচারিকা নিয়োগের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এবারের আলো আধারের গল্পে সে কথাই তুলে ধরা হলো।

ডিডিও চিত্রে ধারণ করা একটি ঘটনা কাল্পনিক হলেও, গত ২১জানুয়ারী রোববার রাজধানীর আফতাব নগর এলাকার আবুল মনসুর খাঁনের বাড়ীর গৃহ পরিচারিকা ঠিক এভাবেই সবাইকে সঙ্গাহীন করে মূল্যবান জিনিস পত্র নিয়ে চম্পট দেয়।

রিপোর্টার: হাসান জাকির

কিন্তু সচেতন নাগরীক হওয়া সত্তেও কেন তার এই অবস্থা ? গত ২১জানুয়ারী পরিচিত জনের মাধ্যমে তিনি গৃহস্থলি কাজে নিয়োগ দেন আমেনা বেগম নামের এক গৃহপরিচারিকাকে। কিন্তু নাম-পরিচয় যাচাই না করে অসহায়ত্বকে আশ্রয় দিতে গিয়েই অনাকাঙ্খিত ঘটনার শিকার হয় পরিবারটি।

তারপর স্থানীয় থানা পুলিশে শরণাপন্ন হয় পরিবারটি। শুরু হয় পুলিশি কার্যক্রম। পুলিশ বলছে অপরাধীদের ধরতে ও চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করতে কাজ করছে তারা। তবে পরামর্শ দেয় মানুষকে সচেতন হওয়ার।

থানা থেকে বের হতেই মিলে যায় আরো কিছু ভুক্তভোগী। তাদেরও অভিযোগ গৃহপরিচারিকাদের নিয়েই। একজন গৃহপরিচারিকার কথা অবশ্য ভিন্ন।

ডিএমপির অপরাধ তথ্য

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী রাজধানীর বিভিন্ন থানায় গত ১ বছরে গৃহপরিচারিকা ও কাজের ছেলেদের হাতে সৃষ্ট এহেন কাজের অভিযোগে মামলা ও সাধারন ডায়েরী হয়েছে তিন শতাধিক। যার মধ্যে বেশ কিছু নিশংস হত্যা কান্ডও রয়েছে।

তাহলে কাজের বুয়া কিম্বা গৃহপরিচারিকাদের গৃহস্থলির কাজে নিয়োগের ক্ষেত্রে নগরবাসীর করণীয় কি ?

এদিকে অপরাধ ও সমাজ বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, সমাজ ও নগরায়ন পরিবর্তনের সাথে সাথে ধরণ পরিবর্তণ করেছে অপরাধী চক্র। তবে এই সকল সামাজিক সমস্যার সমাধান করতে সকলকে আরো বেশি সজাগ থাকারও পরামর্শ অপরাধবিজ্ঞানী ড. জিয়া রহমানের।