বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে: শেখ হাসিনা

0
373

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষকে বাঁচাতে হবে, সুরক্ষিত করতে হবে, পরিবারকে সুরক্ষা করতে হবে। এ জন্যই বাইরের লোকের সঙ্গে না মেশা, জনসমাগম যেখানে–সেখানে না যাওয়ার মাধ্যমে নিজেকে সুরক্ষিত করার পাশাপাশি অন্যকেও সুরক্ষিত করতে হবে। সেই দায়িত্ব সবাইকে পালন করতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, ‘যদিও খেটে খাওয়া দিনমজুর শ্রেণির এবং ছোট ব্যবসায়ীদের কষ্ট হচ্ছে, তাঁদের জন্য সময়টা খুব দুঃসময়, সেটা আমি বুঝতে পারি।’

বুধবার দুপুরে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান গ্রহণকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘আজকের যে অর্থনৈতিক মন্দা, সেটা বিশ্বব্যাপীই দেখা দেবে, সেটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় কথা। সে জন্য বাংলাদেশকে সুরক্ষিত করার জন্যই আমরা খাদ্য উৎপাদনে বিশেষভাবে জোর দিচ্ছি।’

বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে, সেজন্য আগাম ব্যবস্থা হিসেবে প্রণোদনা প্যাকেজ প্রবর্তন করেছে সরকার। ত্রাণের সুবিধা যাতে প্রত্যেকেই পান তা নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের একেবারে নিম্ন আয়ের মানুষ, আমাদের দিনমজুর শ্রেণি কামার-কুমার, রিকশাওয়ালা, ভ্যানওয়ালা থেকে শুরু করে ছোট ছোট দোকানদারগণ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী—প্রত্যেকের কথাই আমরা চিন্তা করেছি এবং প্রত্যেকের দিকে লক্ষ রেখেই আমরা এই প্রণোদণার ঘোষণা দিয়েছি। সব শিল্প–কলকারখানা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতে চালু থাকে।’

জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ এই প্রণোদনার খাতে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

ত্রাণ নিয়ে অহেতুক সমালোচনা না করে হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা দেখতে পাচ্ছি অনেকে অনেক কথা বলে বেড়াচ্ছেন, অনেক দল-মত, সুশীল সমাজ বা অনেকেই। তারা কিন্তু মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসছে না। সমালোচনা করতেই ব্যস্ত।

ত্রাণ বিতরণে যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে দলমত বিবেচনা না করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। ত্রাণের অপব্যবহার এটা আমরা বরদাস্ত করবো না। সেটা আমার দলের হলেও আমরা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি।