ভারতের বাণিজ্য সম্মেলনে সব নজর কেড়ে নিলেন ইভানকা

0
69

অনেকেই আছেন। তবু সকলের চোখ চলে যাচ্ছে তাঁর দিকে। গ্ল্যামারের দ্যুতি আর ডিজাইনার পোষাক, সব মিলিয়ে অনবদ্য ট্রাম্প কন্যা ইভানকা।

হায়দরাবাদে তিনদিনের গ্লোবাল এন্টারপ্রেনারশিপ সামিট উপলক্ষ্যে ইভানকা যখন বক্তৃতা দিতে ওঠেন হাততালিতে ফেটে পড়ে দর্শক। ৩৫০ বাণিজ্য প্রতিনিধি নিয়ে হায়দরাবাদ এসেছেন ইভানকা। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ৩৬ বছর বয়সী ইভানকা।

অধিকাংশই নারী উদ্যোক্তা। তিনি যতটা না মার্কিন প্রতিনিধি তার থেকেও বেশি নারী সমাজের প্রতিভূ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরলেন। টুকরো টুকরো মন্তব্যেই বুঝিয়ে দিলেন বাবাকে যতই গালমন্দ করা হোক, এসব তাঁর প্রাপ্য নয়। তিনি অনন্যা।

বললেন, শিল্পে নারীদের এগিয়ে আসতে হবে। বাণিজ্যে নারী উদ্যোক্তারা স্বাগত। বেশ কয়েকজন সংখ্যালঘু নারী বাণিজ্যে সফল হয়েছেন।

ইভানকা বলেন, আরও অনেককে এগিয়ে আসতে হবে। কেন নারীদের ব্যবসায় দরকার?‌ ট্রাম্প কন্যার মতে, সমাজের উন্নয়নের পাশাপাশি তাতে বাড়বে জিডিপি।তিনি যে হোয়াইট হাইসের প্রতিনিধি, তাও বুঝিয়েছন।

বলেছেন, হোয়াইট হাউস ভারতের বন্ধু। বিশ্বকে উদ্বুদ্ধ করছে ভারত। আরও এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ভারতের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করে ইভানকা বলেন, চা বিক্রেতা থেকে যেভাবে তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন  তা উদাহরণযোগ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে ইভানাকা বলেন, চা বিক্রেতা থেকে মোদির এ উত্থান আমাদের পরিবর্তনের জন্য আশাবাদী করে।

ইভানকা নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে উদাহরণ হিসেবে মোদির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘ছোটবেলায় একজন চা-বিক্রেতা হয়ে জীবন শুরু করে বর্তমানে আপনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী। আপনি প্রমাণ করে দিয়েছেন ‘যুগান্তকারী পরিবর্তন’ সত্যিই সম্ভব। ভারতের ১৩০ কোটি মানুষের জন্য আপনি একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত’।

মোদির বিগত সাফল্যেরও প্রশংসা করেছেন ইভানকা। নিজস্ব উদ্যোগ ও পরিশ্রমের ফলে ভারতের ১৩ কোটি মানুষ আজ দারিদ্র্যসীমা পার হতে পেরেছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এ সাফল্য চলমান থাকবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে এক সাক্ষাতে মোদির প্রশংসা করে ইভাঙ্কা তাকে ‘গণতন্ত্রের প্রতীক’ ও ভারতের আশার আলো বলে আখ্যা দেন।