মাহবুব সৈকত:

নিজের একটা বাড়ি কিম্বা মাথা গোজার ঠাঁই কে না চায়। রাজধানীতে ভাড়া বাড়ি বা চাকরির সুবাদে প্রতিষ্ঠানের আবাসিক ভবনে যারা দীর্ঘ দিন বসবাস করছেন তাদের চাওয়াও এর ব্যাতিক্রম নয়।

আদৌ কি তাদের সেই স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে ? না হলে কেন, করণীয়ই বা কি। মাইটিভির সাপ্তাহিক আয়োজনের ‘আমাদের চোখ’ ভাড়া বাসায় জীবন কেমন তা তুলে ধরা হলো।

আজিজ এবং কলি দম্পতি। দু’জনই পেশাজীবী, সারা দিনের কাজ শেষে, বাসায় ফিরে তাই চেষ্টা থাকে সাঁঝের বেলাটা কাটুক, অন্তত এক সাথে।

চাকুরীর সুবাদে রাজধানীর বনানীতে স্বায়ত্ব শসিত প্রতিষ্ঠানের আবাসিক ভবনে বসবাস, ভালো আছেন সব কিছু মিলে।

তবে চাকুরীর সময়টা যতই ফুরিয়ে যাচ্ছে, ততই বাড়ছে চিন্তা, শেষ জীবনে মাথা গোজার জন্য নগরীতে একটি বাড়ি কিম্বা ফ্লাট হয়নি এখনো।

এ নিয়ে মাঝে মাঝে শুনতে হয় পরিজনদের কথাও। কি করলি এত দিনে। অবসরের সময়টাতো গ্রামেও কাটানো যায়, এমন প্রশ্নের যৌক্তিক উত্তর ও রয়েছে তাদের কাছে।

কইতে আর সইতে না পারার এমন কষ্ট বয়ে বেড়ান নগরীতে কয়েক যুগ থেকে বসবসকারী অসংখ্য মানুষ। যাদের বেশির ভাগই মধ্য বিত্ত পরিবারের।

কাজের প্রয়োজনে রাজধানীতে বসবাসকারীদের প্রায় সবাই থাকেন ভাড়া বাসায়, আয়ের সিংহ ভাগই চলে যায় বাড়ি ভাড়ার যোগান দিতে ।

সবাই মনে করেন, নীতি নির্ধারকেদের একটি সময় উপযোগী পদক্ষেপই পারতো নগরীতে অন্তত: মধ্য উপার্জনকারীদের বাসস্থানের চাহিদা পূরন করতে।

রিপোর্টার: মাহবুব সৈকত

আবাসন সংকট নীরসনে গত কয়েক দশক থেকে সক্রিয় আবাসন শিল্পের সাথে সম্পৃক্তরা। দৃষ্টি নন্দন আবাসিক ভবনও হচ্ছে তৈরী।

তবে উচ্চ মুল্যের কারনে এ দিকে দৃষ্টি দিয়েও লাভ হয়না মধ্য বিত্তদের। এ ক্ষেত্রে নিজেদের সিমাবদ্ধতার কথাও বলছেন সম্পৃক্তরা।

প্রয়োজনের তুলনায় নগন্য হলেও, মানুষের মৌলিক এই চাহিদা পুরনে ইতমধ্যেই নতুন নতুন পরিকল্পনায় কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানান গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রী।