আবু সাঈদ অপু :

মানুষের জীবন বাঁচানোর অন্যতম উপকরণ খাদ্য।। অথচ এই খাদ্য নিয়ে সারাদেশে চলছে তেলেসমাতি কারবার। নামে বেনামে কতিপয় প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে শিশুখাদ্যসহ মুখরোচক খাবার।

ঠিকমতো যেমন নেই নীতিমালা অনুকরনীয় প্রতিষ্ঠানের লোগো ; তেমনি অনেক পণ্যে নেই উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ।

ছোট্ট শিশু ফেরদৌস। মায়ের কাছে বায়না ধরেছেন কেক ও রুটি খাওয়ার। সন্তানের আবদান পূরণের তাই হাজির স্থানীয় দোকানে। তবে যে খাবার এই শিশুটি খাচ্ছে তা কি সত্যিই নিরাপদ?

এই চিত্র উত্তরাঞ্চলের ১৬ টি জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের। উৎপাদন মেয়াদ ও মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ না দেখেই অবলীলায় সব বয়সের মানুষ গ্রহণ করছে এসব মুখরোচক খাবার।

এতো গেল মফস্বল শহুরগুলোর অবস্থা। এবার আসা যাক কর্মব্যস্ত নগরী ঢাকায়। এখানেও একই অবস্থা।
দোকানে থরে থরে সাজানো মেয়াউত্তীর্ণ তারিখ না থাকা খাবার।  শিশুদের মনভোলানো চকলেট ও খাদ্যে। উৎপাদন তারিখ ছাড়াই কেন বাজারজাত করা হচ্ছে জানতে চায় ঘটনার অন্তরালে টিম।

এর ফলে গ্রাহকরা রীতিমতো প্রতারিত হওয়ার পাশপাশি জনস্বাস্থ্যকে ঠেঁলে দিচ্ছে হুমকির মুখে বলে অভিমত খাদ্য বিশেষজ্ঞের।

আর বিএসটিআই কর্তৃপক্ষ এর দায়ভার চাপালেন নানা সীমাবদ্ধতার ওপর।