মদ্যপ অবস্থায় বাথটাবের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে শ্রীদেবীর

0
97

দূর্ঘটনাবশত বাথটাবের পানিতে ডুবে বলিউড সুপারস্টার শ্রীদেবীর মৃত্যু হয়েছে, ময়না তদন্ত রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে। শ্রীদেবীর মরদেহ সোমবার সকালেই দুবাই থেকে মুম্বাইয়ে নিয়ে আসার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় তা বিলম্ব হচ্ছে।

দুবাইয়ের পুলিশের চূড়ান্ত ছাড়পত্র মিললেই ভারতীয় ধনকুবের আম্বানিদের বিশেষ চার্টাড বিমানে করে আনা হবে সিলভার স্ক্রিনের ‘চাঁদনী’কে। এরপর পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ফরেন্সিক রিপোর্ট বলছে, হার্ট অ্যাটাকেই মৃত্যু হয়েছে বলিউডের পর্দা কাঁপানো চলচ্চিত্র তারকা শ্রীদেবীর। তার মৃত্যুতে সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। দুবাইয়ের ফরেন্সিক ডাক্তাররা এমনটাই জানিয়েছেন।

যদিও তার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, হৃদরোগের কোনো আলামত এর আগে কখনো দেখা যায়নি শ্রীদেবীর। টাইমস অব ইন্ডিয়া

এদিকে গালফ নিউজে বলা হচ্ছে, ফরেন্সিক রিপোর্টে জানা গেছে , অতিরিক্ত মদ্যপানের জেরে বেসামাল ছিলেন, শ্রীদেবী। সেই সময় বাথটাবে স্নান করছিলেন। বেসামাল হয়ে বাথটাবে ডুবে যান।

দুর্ঘটনাজনিত কারণে জলে ডুবে মৃত্যু হয় তার। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জলে ডুবে মৃত্যুর কথা কথা উল্লেখ রয়েছে। তখন তার হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। বাথরুমের দরজা ভেঙে উদ্ধার করা হয় তার নিথর দেহ।

দুবাইয়ে যদি হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু হয়, তাহলে মৃত্যুর কারণ জানা থাকে। মরদেহ হাতে পাওয়ার প্রক্রিয়াটাও সে ক্ষেত্রে সহজ হয়। তবে হাসপাতালের বাইরে কোনও মৃত্যু হলে, যদি তা স্বাভাবিক মৃত্যুও হয়, তাহলেও পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

বিধি অনুযায়ী পুলিশের মামলা দায়েরের পর মৃত্যুর তদন্ত হয়। শেষকৃত্যের জন্য মরদেহ দেশটির বাইরে নিতে হলে তাহলে আরও বেশ কিছু প্রক্রিয়া সারতে হয়।

এসব নিয়ম মেনে শ্রীদেবীর মরদেহ প্রথমে আল কিউসাইসের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অফ ফরেন্সিক এভিডেন্সে তার ফরেন্সিক পরীক্ষা-নীরিক্ষা চলে।

এরপর দেহ তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। এরপর ছাড়পত্র মেলে পুলিশের থেকে। এখানেই শেষ নয়।

মৃতের পুলিশ ভিসা খতিয়ে দেখার পর ভারতীয় কনস্যুলেট তার পাসপোর্ট বাতিল করে মরদেহ দেশে ফেরানোর জন্য একটি নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে।

এই গোটা প্রক্রিয়ায় পুলিশকে একগুচ্ছ চিঠি লিখতে হয়। ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া হয় আরবি ভাষায়। ভারতীয় কনস্যুলেট নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট পেয়ে গেলে তবে তাদের কাছে পৌঁছায় ডেথ সর্টিফিকেটের ইংরেজি প্রতিলিপি।

এদিকে গালফ নিউজ বলছে শ্রীদেবীর শরীরে মিলেছে অ্যালকোহল, বাথটবের জলে ডুবেই মৃত্যু হয় তার। এর আগে বড় মেয়ে জাহ্নবীর জন্য শপিং করতেই দুবাইতে ছিলেন শ্রীদেবী।

তাকে একা হোটেল রুমে ছেড়ে মুম্বাইয়ে ফেরত আসে স্বামী এসেছিলেন বনি কাপুর। পরে অবশ্য দুবাইয়ে ফের পৌঁছেছিলেন শনিবার, যে রাতেই মৃত্যু হয় তার স্ত্রীর।