মাঠভরা ধান দেখে হাওরের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে

0
73

আবদুল্লাহ আল মামুন পলাশ:

মাঠভরা ধান দেখে হাওরের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। ধারণার চেয়েও বেশি ধানের ফলন হয়েছে এবছর। এরই মধ্যে কিশোরগঞ্জের হাওরগুলোতে শুরু হয়ে গেছে নতুন ধান কাটা।

তাই গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা। একই সঙ্গে ধানের ন্যায্য মূল্য পেতে চান কৃষকরা।

কিশোরগঞ্জের হাওরজুড়ে গত বছর ছিল কৃষকের কান্না আর হাহাকার। কষ্টে আবাদ করা ধান ভাসিয়ে নিয়েছিল অকাল বন্যা।

এবার সেখানেই সোনারাঙা পাকা ধান। প্রকৃতিও ছিল অনুকূলে। তাই কষ্টের দিনগুলোর কথা ভুলে, আবারও নতুন স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা।

প্রত্যাশার চেয়ে বেশী ধান পেয়ে উৎসবে মেতে উঠেছেন কৃষকরা। ধান কাটা, মাড়াই আর ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত এখানকার কৃষি শ্রমিকরা। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অনেক কৃষকই এবার বেশি জমিতে ধান চাষ করেছেন।

বর্তমানে সাতশ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে ধান। তাই দাম নিয়েও স্বস্তিতে রয়েছে কৃষকরা। তারা মনে করেন, শেষ পর্যন্ত এ দামটা পেলেই লাভ থাকবে তাদের।

গত বছর বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পর থেকেই কৃষকদের পাশে ছিল কৃষি বিভাগ। সার ও বীজ থেকে শুরু করে সব ধরণের প্রণোদনা কৃষকের হাতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে বলে জানান কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম।

এবার কিশোরগঞ্জে এক লাখ ৬৫ হাজার ২৮২ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু চাষ হয়েছে তার চেয়েও দুই হাজার হেক্টর বেশি জমিতে।