হাসান জাকির: কোমলমতি শিশু! শব্দটির সাথে সবাই পরিচিত থাকলেও, এই শিশুদেরকেই ব্যবহার করা হচ্ছে মাদকের বাহক হিসেবে। কিছু বিকৃত মানসিকতার অসাধু লোক নিজেদের স্বার্থ হাসিলে উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে এই সকল শিশুদের।

যাদের কথা কেউ কখনই ভাবে না। অথচ অপরাধ ও সমাজ বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, মাদক পরিবহনে শিশুদের ব্যবহার দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ঠেলে দিবে অন্ধকার জগতে।

নাম ইউসুফ। বয়স ৮ থেকে ১০ এর কোঠায়। ঠিকানা বিভিন্ন স্টেশনের প্লাটফর্ম। পেশায় মাদক পরিবহনকারী। বিষটি নিশ্চিত হওয়ার পর মাইটিভির অনুসন্ধানী ক্যামেরায় ইউসুফ।

শিশুদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে মাইটিভি অঙ্গিকারবদ্ধ। তাই পর্দার আড়ালেই কথা হয় ইউসুফের সাথে। তবে কিভাবে সে পরিবহন করে মাদক। আর কেনই বা করে এই কাজ। আমরা জানবো তার কাছ থেকেই।

রিপোর্টার: হাসান জাকির

অতঃপর ইউসুফকে নিয়ে আমাদের যাত্রা রাজধানীর অন্যতম মাদক পল্লী মোহাম্মদপুরের ক্যাম্পেরবাজারে।
আর সেখানকার চিত্রতো খুল্লামখুল্লা।

শুধু ইউসুফই নয় এই পরিবহন কাজে জড়িত রয়েছে হাজারো শিশু। যার সঠিক পরিসংখ্যান দেন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক।

ঢাকাতে ৮৫ হাজার। চট্রগ্রামে ৫২ হাজার। গাজীপুরে ২৫ হাজার। মংমনসিংহে ৮ হাজার বরিশালে সাড়ে তিন হাজার ও দেশের সীমান্ত এলাকাগুলোতে এমন অনেক মাদক ক্যারিয়ার রয়েছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে।

তার কথায় মাদক পরিবহনের শিশুদের ব্যবহার রোধ করা না গেলে আরো ভয়াবহ সংকটে পড়বে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা।

আর অপরাধ বিজ্ঞানী ড. জিয়া রহমান পরমর্শ দিলেন, মাদক বহনে শিশুদের ব্যবহার রোধে অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল হবার ।