হাসান জাকির:

মাদকের ভয়াবহ থাবায় ধ্বংস নিমজ্জিত হচ্ছে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক বিমানবালাসহ উচ্চ শিক্ষিত নারী রোগীদের চলছে চিকিৎসা। রোগী দেখে বাকরুদ্ধ কেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা। সামাজিক পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ।

মাদক। ভয়াবহ এক মরণ ঘাতকের নাম। যার ভয়াল থাবায় প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হচ্ছে তরুণ-তরুনীরা। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা। রাজধানীর একটি নারী মাদক নিরাময় কেন্দ্রের জানালা দিয়ে ভেষে আসে সুরেলা কন্ঠের  আওয়াজ।

তারপর কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে মাইটিভির ‘‘ আলো আধাঁরের গল্প টিম ”। এবার তার সঙ্গে কথপকথন। প্রথমে ওষুধের মতো ত্যাগ করার কথা চিন্তা করে মাদক গ্রহণ শুরু বলে জানান তিনি।

জানতে পারি তিনি বিদেশী একটি উড়োজাহাজের গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত। তবে কেন তার এই অবস্থা।
পাশের কাময়ার বসে পত্রিকা পড়ছেন আরো এক নারী। যিনি পেশাগত ভাবে একজন চিকিৎসক। কথা হয় তার সঙ্গেও। মানব সেবার ব্রত নিয়ে কর্মে যোগদান করে কেন তার এই করুণ পরিনণি ?

রিপোর্টার: হাসান জাকির

অন্ধকার জগতের মানুষদের পাশে থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সেবা শুশ্রুষা দিতে পারাটাও যেন অনাবিল সুখের পরশ বলে মনে করছেন কেন্দ্রটির কর্মকর্তা। তাদের যথাযত চিকিৎসা দিলে সুস্থ হবে তারা জানান তিনি।

অপরদিকে সরকারি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দায়িত্বে থাকা প্রধান কনসালটেন্ট ডা. সৈয়দ ইমামুল হোসাইন মনে করেন, মাদকাশক্ত রোগীদের সঠিক চিকিৎসার পাশাপাশি পারিবারিক ও সামাজিক দায়িত্বশীলতা আরো বাড়ানো প্রয়োজন। অবশ্য এজন্য তিনি অভিবাবকদের আরো সচেতন হবার পরামর্শও দেন।