মানবিক বিবেচনায় খা‌লেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

0
505

মানবিক বিবেচনায় বিএন‌পি চেয়ারপারসন খা‌লেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কা‌দের।

শুক্রবার দুপু‌রে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে এরআগেও তার চিকিৎসার বিষয়টি বিবেচনা করে মানবিক কারণে মুক্তি দেয়া হয়েছে ৬ মাসের জন্য। করোনা পরিস্থিতির কারণে তার চিকিৎসা ভালোভাবে করা যায়নি এই বিবেচনায় তার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে। এখানে কোনো রাজনৈতিক চাপের বিষয় নেই। একেবারেই তার বয়সের কথা চিন্তা করে মানবিক কারণে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও তার বাবার ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অপরাধী যেই হউক, আইনের আওতায় আনা হবে। তার (ওয়াহিদা খানম) সুচিকিৎসায় সবধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।’

‘অপরাধী যেই হোক, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেছেন, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সারাদেশের প্রতিটি নাগরিককের নিরাপত্তার দায়িত্ব সরকারের অগ্রাধিকার।’

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে সচেতনতার দিক থেকে গা-ছাড়া ভাবের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের শহরে-বন্দরে-মার্কেটে-রাস্তায় কোথাও স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। মনে হয় না কেউ করোনাকে পাত্তা দিচ্ছে। এটা অত‌্যন্ত দুঃখজনক, আমরা নিজেরাই নিজেদের সেফটিকে নষ্ট করছি এবং করোনাভাইরাসের সংক্রমণের দুয়ার খুলে দিয়েছি।’

ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার রোকেয়া সুলতানা, শিক্ষা সম্পাদক সামছুন্নাহার চাঁপা, উপদফতর সম্পাদক সায়েম খান এবং বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডাক্তার কনক কান্তি বড়ুয়াসহ অন্যান্যা ডাক্তাররা।