মামুলে শাস্তিতে রক্ষা হচ্ছে না পরিবেশ (ভিডিও)

0
290

শারমিন আজাদ  : গুরু পাপে লঘু দন্ডের মতো পরিবেশ ধ্বংসের অপরাধে কেবল জেল আর জরিমানায় পার পেয়ে যাচ্ছেন অপরাধীরা। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর ধারা ৭ অনুযায়ী পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতি সাধনের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এ নিয়মের মধ্যে ঘটছে অনিয়ম।

বিভিন্ন ধরণের পরিবেশ দূষণ এবং এ ধরণের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পঞ্চাশ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আদায় করার নিয়ম রয়েছে। এসব অপরাধের মধ্যে রয়েছে, পরিবেশ ছাড়পত্র না থাকা, ছাড়পত্র নবায়ন না করা এবং ছাড়পত্র নবায়নের শর্ত লংঘন। অপরাধের সূচক হিসাবে ধরা হয়েছে জায়গার পরিমাণ বা দূষণের মাত্রা।

আইনে রয়েছে, অপরিহার্য জাতীয় স্বার্থের প্রয়োজনে অধিদপ্তরের ছাড়পত্র গ্রহণক্রমে কোন পাহাড় বা টিলা কর্তন বা মোচন করা যেতে পারে। তবে জলাধার হিসাবে চিহ্নিত জায়গা ভরাট বা অন্য কোনভাবে শ্রেণী পরিবর্তন করা যাবে না। যে ক্ষেত্রে কোন কাজ বা ঘটনা বা কর্মকান্ড বা কোন দুর্ঘটনার ফলে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পরিমাণের অতিরিক্ত পরিবেশ দূষক নির্গত হয় বা নির্গত হবার আশংকা থাকে, সেই ক্ষেত্রে তদ্রূপ নির্গমনের জন্য দায়ী ব্যক্তি এবং নির্গমন স্থানটির দখলকারী ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বা প্রশমন করতে বাধ্য থাকবেন।

একইভাবে পরিবেশ দূষণের অন্যান্য ক্ষেত্রেও রয়েছে বিধি বিধান। অথচ বাস্তবে দেখা গেছে সরকারি নির্মানাধীন ভবনই নিয়ম অমান্য করে সড়কে ফেলে রেখেছেন নির্মাণ সামগ্রী। একইভাবে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও প্রতিনিয়তই ইটিপি থাকার পরও চালু করছে না সেটা। দূষণ করছে পরিবেশের।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, পরিবেশ আদালত এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তির বিধান রয়েছে।

কিন্তু এসব বিধি কেন রুখতে পারছে না দূষণের মাত্রা। তবে আইনে বলা হয়েছে কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান পরিবেশ আইন অমান্য করলে ফৌজদারি আইনে কেবল অর্থদন্ড করা হবে। আর সরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই আইন আরো শিথিল।