মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে তৃতীয় (ভিডিও)

0
183

রাকিব হাসান : নদী মার্তৃক বাংলাদেশে রয়েছে অসংখ্য নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাওরসহ বিস্তীর্ন জলাভুমি। আরো রয়েছে বিশাল সমুদ্রসীমা। বিশ্বে মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়; তা প্রথম স্থানে নিয়ে আসার লক্ষে কাজ করছে সরকার।

সমুদ্র সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে গবেষনা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন নতুন জরিপ জাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

সুস্থ-সবল ও মেধাসম্পন্ন জাতি গঠনে মৎস্য খাতের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় অর্থনীতিতে এই সম্ভাবনাময় খাতের ভূমিকা ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলেছে। বলা যায়, এদেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি মৎস্য সম্পদ উন্নয়নের ওপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল।

প্রাণিজ আমিষের চাহিদার শতকরা ৬০ ভাগ যোগান দেয় মৎস খাত। জিডিপিতে এখাতের অবস্থান ৩ দশমিক ৬-১ শতাংশ।

গত ১০ বছরে মাছের উৎপাদন ৫৮ দশমিক ৩-৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাড়িয়েছেন প্রায় ৪৩ লাখ মেট্রিক টনে।
সিংক- মো: রইছউল আলম মন্ডল। সচিব, মৎস ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়।  জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ২০১৮ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বে মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয় আর সামগ্রিকভাবে পঞ্চম এবং ইলিশ আহরণে বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের নাম।

২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ইলিশের উৎপাদন হয়েছে ৫ লাখ ১৭ হাজার মেট্রিক টন যেখানে ২০০৮-৯ অর্থ বছরে ছিল ২ লাখ ৯৯ হাজার মেট্রিক টন।

আহরিত মৎস্যের গুণগত মান সংরক্ষণের জণ্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত মৎস্য বিচরন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজরজাতকরন কেন্দ্র স্থাপনেরও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।  আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে বঙ্গোপসাগরে ১লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটারে বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সুনীল অর্থনীতি তথা সমুদ্র সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করছে মেরিন ফিসারিজ একাডেমী। প্রচলিত মাছের পাশাপাশি অপ্রচলিত এবং হারিয়ে যাওয়া দেশী মাছের উৎপাদনেও সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষনা ইন্সটিটিউন। আর সম্ভাবনাময় এই খাতটিকে এগিয়ে নিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোরও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা।