মোবাইল গেম, মাদকের চেয়ে ভয়াবহ ভাবে আসক্ত করেছে যুব সমাজকে (ভিডিও)

0
3465

আবু সাঈদ অপু : এক সাথে খেলবে ১০০ জনেরও বেশি। বেঁচে থাকবেন যিনি, তিনিই হবে বিজয়ী। কিভাবে জয়ী হওয়া যাবে ? সেই গল্পে যেমন রয়েছে আসক্তি ; তেমনি সহিংসতারও মারাত্বক প্রভাব ফেলছে সমাজে। এরইমধ্যে ২০ কোটির বেশি মানুষ যুক্ত হয়েছে, এই মরণ খেলার সাথে।

খেলা-ধুলা, মানুষের শারিরিক কাঠামো সব সময় অটুট এবং সুস্থ রাখে। যদিও সুস্থ ধারার এই বিনোদন, এখন কাজীর গরু কেতাবে থাকার মতো অবস্থা। গ্রামীন সভ্যতার সংস্কৃতি ঘাটলেই, অনেকটাই বোঝা যাবে সেকালের শৈশব-কৈশরের দূরন্তপনা আর খেলা-ধুলার চর্চা ছিলো বিনোদনের অন্যতম খোরাক।

কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় আর সমাজ-সভ্যতা – সংস্কৃতির স্থান এখন পুরোপুরি দখল নিয়েছে প্রযুক্তি। সবাই এখন হয়ে পড়েছে প্রযুক্তি নির্ভর। প্রাপ্ত বয়স্ক থেকে শুরু করে ছোট শিশুসহ অক্ষরজ্ঞানহীন মানুষও এখন বেশ পটু প্রযুক্তির ব্যবহারে।  প্রযুক্তি অপার এই সম্ভাবনা যদিও উপকারে ডালা মেলে দিয়েছে ; তবে মুদ্রার অপর পৃষ্ঠে মনযোগ দিলে দৃশ্যমান হবে এর অপব্যবহারের নমুনা কত ভয়াবহ।

শহর-বন্দর গ্রাম-গঞ্জ সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়েছে অসংখ্য অনলাইন গ্রেম।

২০১৭ সালে তৈরী হওয়া গেমের মধ্যে অন্যতম গেম পাবজি। এই গ্রেম এখন মানুষের সামাজিক মিথক্রিয়া হ্রাস, স্বাস্থের অবনতি, মানসিক জটিলতা, ঘুমে ব্যাঘাত, কর্মে অমনযোগীসহ মাদকের চেয়ে ভয়াবহ আসক্তিতে পরিণত করেছে এই গেমটি।

পাবজি গেমটি – কর্মজীবন কিংবা ছাত্রজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়ায় স্বাভাবিক ও সুস্থ ধারার বিনোদনের স্থান ঠাই করে দিচ্ছে ইতিহাসের পাতায়। গেমের মতোই সমাজে ঘটছে নানা অনাকাঙিত ও হতাহতের ঘটনা। যা রীতিমতো আলোচনা কিংবা সমাজে বেশ সাড়া ফেলছে।

পাবজি গেমের আসক্তি ঠেলে দিয়েছে অজানা এক ভবিষ্যতের দিকে। যার উদাহারন মিলবে ভারত ও নেপালের দিকে তাকালে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে পাবজি এই গেমটি।