যত্রতত্র ও বিশৃঙ্খলভাবে ব্যবহার হচ্ছে জাতীয় পতাকা

0
169

মাহবুব সৈকত :

জাতীয় পতাকা, একটি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। বহু ত্যাগের বিনিময়ে এই ডিসেম্বরেই বাঙালি অর্জন করে লাল-সবুজের পতাকা। তাই বিজয়ের মাসটি এলেই দেশের প্রতি ভালোবাসা থেকেই অনেকে পতাকা কেনেন, উড়ান বাসা-বাড়ি কিংবা বিভিন্ন স্থাপনায়।

আবার অনেক স্থানে পতাকা উত্তোলনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও দেখা যায় ভিন্ন চিত্র, নেই পতাকা ব্যবহারের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কাও। বিশ্লেষকরা বলছেন, রাষ্ট্রীয় এ প্রতীক ব্যবহার ও এর সম্মান রক্ষায় শাস্তির বিধান থাকলেও বাড়াতে হবে সচেতনতা।

মুক্তির জন্যে যুগ যুগ ধরে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার সর্ব শেষ ধাপ ৯ মাসের যুদ্ধ। লাখো মানুষের আত্মাহুতি, ত্যাগ, জীবন উৎসর্গে অবশেষে আসলো স্বাধীনতা, লালসবুজের পতাকা।

বিজয়ের উল্লাসে ১৬ ডিসেম্বর আসলেই লাল সবুজের পতাকা যায়গা করে নেয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বাড়ি – গাড়ি এমন কি মানুষের পোষাকেও। কিন্তু বিজয় দিবসের পরে এখনও দিবা-রাত্রি পতাকা উড়ছে যত্রতত্র। তাই স্বাভাবিক ভাবেই মনে প্রশ্ন যাগে, জাতীয় পতাকার ব্যবহার নীতি মালা নিয়ে।

বিশ্লেষকদের বক্তব্যানুযায়ী, অফিস সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে উড়াতে হবে জাতীয় পতাকা। প্রতিষ্ঠানগুলো এই নীতিমালা অনুসরনও করছে। তবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এর বিপরিত চিত্রও রয়েছে।
তবে এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি সংশ্লিষ্টরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তাকালে কিছুটা হতাশই হতে হবে। অফিস সময়ে উড়ছে পতাকা, এমনকি রাষ্টায়ত্ব প্রতিষ্ঠানেও। এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে এড়িয়ে যান দায়িত্ব প্রাপ্তরা।

তবে জাতীয় পতাকার ব্যাবহারে সচেতনতা এভং নীতিমালা আরো স্পস্ট হওয়ার উপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।