সাইদুর রহমান আবির :

“এক বাষট্টি তেষট্টি”- এই নম্বরে ডায়াল করলেই চব্বিশ ঘন্টা বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবার পরামর্শ পাওয়া যাবে। এর নাম দেয়া হয়েছে সরকারি হেলথ কল সেন্টার স্বাস্থ্য বাতায়ন।

এই ব্যবস্থার ফলে যেকোন মোবাইল দিয়ে কল করে চিকিৎসকের পরামর্শ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সেবা পাওয়া যাবে। এছাড়াও দেশের যেকোন স্থানের রোগীদের প্রয়োজনে সরকারি বেসরকারি এম্বুলেন্স সার্ভিস পাওয়া যাবে এবং দেয়া যাবে, যেকোন হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের বিষয়ে যেকোন অভিযোগ। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌছে দিতে সরকারের এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর হচ্ছে?

২০০৮ এবং ২০১৪ সালের সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনী ইসতেহারের গুরুত্বপূর্ন কয়েকটি বিষয়ের মধ্যে অন্যতম ছিল দেশের প্রতিটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।

তারই ধারাবাহিকতায় সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল চালু করা হয় সরকারি হেলথ কল সেন্টার স্বাস্থ্য বাতায়ন, যার নম্বর দেয়া হয় ১৬২৬৩।

প্রায় দুবছর পরে সরকারের এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকরি হচ্ছে, তা দেখতে স্বাস্থ্য অধিদফতর পরিচালিত কল সেন্টারে মাই সার্চ টিম।

কল সেন্টারে দায়িত্ব পালন করছেন চিকিৎসকরা। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্বাস্থ্যসেবা পেতে এবং স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কিত যেকোন বিষয়ে মুঠোফোনে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। রোগীর নাম বয়স এবং রোগীকে দেয়া সব ধরনের রেকর্ড করে রাখা হচ্ছে। কি পরিমান কল আসছে এবং কত প্রকার সেবা দেয়া হচ্ছে সরকারি এই কল সেন্টার থেকে।

চিকিৎসা সেবার কোন বিষয়গুলো বিবেচনা করে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, এবিষয়ে কথা হয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংশ্লিষ্ঠ বিভাগের পরিচালক আশীষ কুমার সাহার সাথে। সর্বস্তরের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বাতায়ন নিয়ে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও জানান এই পরিচালক।

স্বাস্থ্যসেবা পেতে চালু করা ১৬২৬৩ নম্বর টোল ফ্রি করা না করা নিয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান আশীষ কুমার সাহা