রাতে এ নিয়মগুলো মানলেই সজীব থাকবে ত্বক

0
1077

ইসরাত জাহান পুষ্পিতা:

সারা দিন রোদে ঘোরাঘুরি করে কাজ করতে হয়। ফলে ত্বকে যেন একটা কালচে ছাপ পড়ে যাচ্ছে। রোদে ঘুরে নয়, বরং অফিসের এসি-তেই সময় কাটানো সত্ত্বেও ত্বক আর্দ্রতাহীন, ম্যাড়মেড়ে।

অনেকেই হাল এমন হয়। শুধুমাত্র ক্নেনজার বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারেই যে ত্বকের যত্ন নেওয়া হয়ে যায়, এমনটা ভাববেন না যেন। কাজের চাপে সময় না পেলে বরং রাতেই নিয়ম করে ত্বকের পরিচর্যা শুরু করুন। জেনে নিন, তা কীভাবে করবেন।

মেকআপ পরে কখনও ঘুমাতে যাবেন না। হালকা ক্লেনজার দিয়ে মেকআপ তুলে ফেলুন। এর জন্য এক-তৃতীয়াংশ ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে দুই-তৃতীয়াংশ আমন্ড বা অর্গানিক অয়েল মিশিয়ে নিন। তা দিয়ে আসতে আসতে মুখে ম্যাসাজ করুন।

এবার হালকা গরম পানিতে একটি নরম কাপড় ভিজিয়ে তা দিয়ে মুখ ঢেকে রাখুন।

এতে স্কিন পোরস খুলে যাবে। এ বার গোটা মুখটি মুছে ফেলুন। ডেড সেলগুলোও উঠে আসার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের ব্যাকটেরিয়া দূরে চলে যাবে।

ক্নেনজিংয়ের পর ব্যবহার করুন স্কিন টোনার। টোনার হিসেবে সব ধরনের ত্বকের জন্যই গোলাপ জল খুবই উপকারি। একটি তুলার বলে বরফ-ঠান্ডা গোলাপ জল নিয়ে তা দিয়ে মুখ ও ঘাড় মুছে ফেলুন।

গ্রিন টি দিয়েও টোনারের কাজ চালাতে পারেন। গ্রিন টিয়ের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল টোনার তৈরি করে নিতে পারেন।

ক্লেনজিং-টোনিংয়ের পর এ বার পালা অ্যান্টি-এজিং সেরাম ব্যবহারের।

এই ধরনের সেরামে প্লান্ট পলিফেনলস, কেরোটেনয়েডস এবং ফ্ল্যাভোনয়েডস থাকায় তা ত্বকে বুড়োটে ছাপ পড়তে দেয় না।

ফলে ত্বকে উজ্জ্বলতা আসে। পিগমেন্ট কমাতেও সাহায্য করে।

সেরামের পর নাইট ক্রিম নিয়ে প্রথমে কপালে, তার পর একে একে নাকে, গালে, চিবুকে এবং ঘাড়ে মেখে নিন। আঙুল দিয়ে উপরের দিকে সার্কুলার মোশনে মাসাজ করতে থাকুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রিমের ময়শ্চারাইজার ছড়িয়ে পড়বে গোটা মুখে এবং ঘাড়ে

নাইট ক্রিম মেখেই কাজ সারা হল, এমনটা ভাববেন না।

এর পর ৪-৫ ফোঁটা ফেসিয়াল অয়েল আঙুলে নিয়ে নাক থেকে কানের দিকে সার্কুলার মোশনে মাসাজ করুন।

ফেসিয়াল অয়েল ময়শ্চারাইজার ধরে রাখতে সাহায্য করবে।