আবু সাঈদ অপু :

মানুষ অসুস্থতা অনুভব করলে কিংবা শারীরিক সমস্যার কারণে দ্বারস্থ হন চিকিৎসকের। আশা, চিকিৎসক তার রোগ ভাল করবেন। কিন্তু সেটি সহজেই হয়ে উঠছে না। কারণ, রোগের সমাধান নির্ণয়ে রোগীদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে অগনিত টেষ্ট। আর এই পরীক্ষা-নীরিক্ষার কমিশনে রীতিমত পকেট ভরছেন কিছু অসাধু চিকিৎসক।

ফজলু মিয়া। উন্নত চিকিৎসার জন্য সুদুর উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় বাংলাবান্দা থেকে চিকিৎসা নিতে ছুটে এসেছেন, রাজধানী ঢাকায়। অথচ রোগ নিরাময়ে ও জীবন বাঁচাতে ওষুধ সেবনের চেয়ে অসংখ্য অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে পরীক্ষা-নীরিক্ষায়।

এতো গেল রাজধানীর চিত্র । এবার চলুন যাওয়া যাক উত্তরের জনপদ গাইবান্ধায়। সেখানেও ঘটছে চিকিৎসা সেক্টরে নৈরাজ্য। চিকিৎসা সেবার নামে মহৎ এই পেশায় চলছে কমিশন বানিজ্যের মহোৎসব।

এমন বাস্তবচিত্র অনুসন্ধানে মাঠে নামে ঘটনার অন্তরালে টিম। অনুসন্ধান চালিয়ে মিলে গেল বাস্তবচিত্র।

তবে কমিশন বানিজ্য নিয়েও বিস্তর অভিযোগ রয়েছে ভুক্তভোগীদের । আর পরীক্ষা-নীরিক্ষা নিয়েও চিকিৎসকদেরও রয়েছে দ্বিমত তুলে ধরেন ভুক্তভোগীরা।

ঘটনার আরও গভীরে প্রবেশ করতে খুব বেশিদুর এগাতে হয়নি। রোগীরাই তুলে ধরেন বেসরকারি ক্লিনিকগুলোর বানিজ্য। আর অপরাধ বিশ্লেষকরা কমিশন বানিজ্য বন্ধে জোর দিলেন আইন প্রণয়ন ও আত্ম মানবিকতার উন্নয়নের দিকে।