রোহিঙ্গা ইস্যুটির লিখিত প্রস্তাবনা পাশের চেষ্টা চলছে: ডেপুটি স্পীকার

0
78

রোহিঙ্গা ইস্যুটি শুধু আলোচনার মধ্যে সীমাবন্ধ না রেখে একটি প্রস্তাবনা হিসেবে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর কাছে সরকার তুলে ধরতে চাইছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি স্পীকার ফজলে রাব্বি মিয়া।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সিপিএ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি। এরই মধ্যে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব জমা দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশনের সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান ডেপুটি স্পীকার ফজলে রাব্বি মিয়া বলেছেন, এ ইস্যুটির একটি প্রস্তাবনা হিসেবে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর কাছে অনুমোদন চাইছে সরকার।

এরই মধ্যে রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে একটি প্রস্তাব জাতিসংঘে দেয়া হয়েছে বলেও জানান ডেপুটি স্পীকার। এদিকে সম্মেলনের ৬ষ্ঠ দিনে অনুষ্ঠিত হয় লিঙ্গ বৈষ্যম দূরীকরণ, গণতন্ত্র, এসডিজি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে সেমিনার এবং গোলটেবিল বৈঠক।

ঢাকায় শুরু হওয়া কমলওয়েলথ পার্লামেন্ট কনফারেন্সের ৬ষ্ঠ দিনের প্রথম সেশনে অনুষ্ঠিত হয় লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ, গণতন্ত্র, এসডিজি বাস্তবায় এবং জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবেলায় করণীয় শীর্ষক কর্মশালা।

সিপিএ কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে নারী সংসদীয় দলকে ক্ষমতায়িত করার মাধ্যমে টেকসই বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে প্রস্তাব উপস্থাপন করেন কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সংসদ সদস্যরা। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিতে চাপ প্রয়োগ করতে বাংলাদেশকে সহায়তার আশ্বাস দেন তারা।

শুধু আলোচনার মধ্যে না থেকে লিখিত প্রস্তাব পাশের ব্যাপারে সরকারের উদ্যোগের কথা জানান ডেপুটি স্পীকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বি মিয়া। এ সম্মেলনের বিষয়বস্তু রোহিঙ্গা নয় তার পরেও আশ্রিত রোহিঙ্গাদের বিষয়টি স্থান পেয়েছে এই সম্মেলনে।

এদিকে সেমিনার পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে গৃহীত প্রস্তাবগুলো সর্ম্পকে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন আয়োজকরা। আগের দিন প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পৃথকভাবে সম্মেলনে কথা বলেছেন রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে। সম্মেলনের মূল এজেন্ডায় না থাকলেও এ বিষয়টি সাধারণ অধিবেশনে রেজ্যুলেশন হিসেবে পাশ করানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশ।