লাইসেন্স ছাড়াই জয়পুরহাটে চলছে বেশিরভাগ ইটভাটা

0
63

সরকারী নিয়ম-নীতিকে তোয়াক্কা না করে লাইসেন্স ও পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই জয়পুরহাটে অবাধে চলছে বেশিরভাগ ইটভাটা। ভাটার কালো ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে শত শত বিঘা জমির ধানসহ আশেপাশের বিভিন্ন গাছের ফল ও গাছপালা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিয়ে এসব ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। জয়পুরহাট প্রতিনিধি বিপুল কুমার সরকারের রিপোর্ট জানাচ্ছেন রাজিয়া সুলতানা স্মৃতি ।

নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ সরকারী বে-সরকারী গুরুত্বপূর্ণ কোন প্রতিষ্ঠানের ৩ কিলোমিটার মধ্যে ইটভাটা গড়ে তোলা যাবেনা । কিন্তু জয়পুরহাটে এই নিয়ম মানা হচ্ছে না। আ্পস
সদরের কয়েকটি এলাকার ইটভাটার কালো ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাসের কারণে ফসলী ধান, মৌসুমী ফল ও গাছপালা পুড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ইটভাটা মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ায় ক্ষতিপূরণ না পেয়ে ক্ষুব্ধ দরিদ্র কৃষকরা।

ঘনবসতি এলাকায় ইটভাটা গড়ে উঠায় স্কুলের শিক্ষার্থী ও স্বাস্থ্য সেবা নিতে আসা মানুষরা শ্বাসকষ্ট জনিত রোগে ভুগছেন। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করলেন বড়তাজপুর এইচ.বি ব্রিকস এর ম্যানেজার আমজাদ হোসেন

তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম বলেন, ফসলী জমিসহ ফলমুলের ক্ষতির বিষয়টি স্বীকার করে তাদের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতি পূরনের আশ্বাস দিয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে পরিবেশ ও ফসলী জমি রক্ষা করতে প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন এমনটাই আশা স্থানীয়দের।