শারমিন আজাদ :

বাসচালক নিয়োগেই চলে নানা অনিয়ম। চাকরি যদি হাতের মুঠোয় পাওয়া যায় অনিয়ম করে, তাহলে আর কর্মজীবনে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা কে করে? আর তাই লাইসেন্স নিয়ে চালকের আসনে বসাটাই যেন হয়ে গেছে অনিয়ম।

বাস চালকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার নিয়মের গল্প শোনালেন মালিকরা। তবে বাস্তবে এর সত্যতা মেলেনি।

দূরপাল্লার বাস চালাচ্ছেন এক চালক। লাইসেন্স আছে কি-না জানতে চাইলে, অকপটে স্বীকার করলেন তিনি হেলপার। তবে বাসও চালান বিভিন্ন সময়। কেন, জানতে চাইলে উত্তর নেই।

চালক নিয়োগে নিয়ম আছে, অবশ্যই চালকের বৈধ লাইসেন্স থাকতে হবে। আর অভিজ্ঞতাও থাকতে হবে কমপক্ষে ছয় মাসের। কিন্তু বেশিরভাগ ড্রাইভারই ঈদের সময় চলে আসেন বাস চালাতে বিনা অভিজ্ঞতায়।

বাস মালিকদের সংগঠন অবশ্য জানালো, দূরপাল্লা ও আন্ত:রুটের চালক নিয়োগে তাদের নিয়মের কথা। তবে লাইসেন্স কেন থাকে না, সে প্রশ্নের জবাবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএ’র আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দায়ী করলেন তারা।

কোন চালক মাদক সেবন করতে পারবে না- এটাই নিয়ম। আর চালক বা হেলপার মাদক নিচ্ছে কি না তা নজরদারিতে রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা জানালেন শ্রমিক নেতারা।

নিয়োগ পেতে কর্মদক্ষতার চেয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্কই বড় হয়ে ওঠে। কখনো কখনো ঘুষ বাণিজ্যও চলে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা। যার মাশুল গুনতে হয় যাত্রী কিংবা পথচারীদের দুর্ঘটনার শিকার হয়ে।