লাবণ্যের মৃত্যুর জন্য দায়ী বেপরোয়া গতি: ডিসি তেজগাঁও

0
239

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী লাবণ্যকে বহনকারি মোটরবাইক চালক ও লাবণ্যকে চাপা দেয়া কাভার্ডভ্যান চালক দুজনই বেপরোয়া গতিতে চলছিলো।

এসময়ে তারা একে অপরকে পাল্লা দিচ্ছিলো বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও থানার ডিসি বিপ্লব কুমার সরকার।

সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, দোষ প্রমাণিত হলে উবারের বিরূদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কাভার্ড ভ্যানটিই লাবণ্যের প্রকৃত ঘাতক বলেও জানান বিপ্লব কুমার সরকার।

বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ঘটনার পর থেকে লাবণ্যকে বহনকারী মোটরসাইকেল চালককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার মোবাইলও বন্ধ ছিল। হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তিনি পালিয়ে যান।

গত ২৪ এপ্রিল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিংয়ের ২ নম্বর সড়কের ২৫ নম্বর বাসা থেকে সুমনকে আটক করে পুলিশ। কারণ সুমনই ছিল ঘটনার প্রধানতম সাক্ষী।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, লাবণ্যের মৃত্যুর পর আমরা প্রথম সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা করি। কিন্তু কোনো একটি ক্যামেরায় কাভার্ডভ্যানটি ক্লিয়ার দেখা যাচ্ছিল না।

তবে আমরা তথ্য প্রমাণে নিশ্চিত হয়েছিলাম যে, লাবণ্যকে চাপা দেয়া কাভার্ডভ্যানটি পরিস্থিতি বুঝে রুট পরিবর্তন করে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রের সামনে দিয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় চলে যায়।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের পেছনের একটি সিসি টিভি ক্যামেরায় আমরা ওই কাভার্ডভ্যানটি শনাক্ত করি। রেজিস্ট্রেশন নম্বর নিশ্চিত হতে না পারলেও কাভার্ডভ্যানের পেছনে লেখা ছিল ইনফোর্ট।

এরপর আমরা প্রথমে তেজগাঁও ইনফোর্টের সাব অফিসে খোঁজ করি। এরপর মূল হেড অফিস আশুলিয়া বাইশমাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাভার্ডভ্যান চালক আনিসুরকে আটক করা হয়। পরে দুই চালককে আলাদা আলাদা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।