শাহরুখের যেমন ‘রাজ’, সালমানের তেমনই ‘প্রেম’

0
130

‘সুলতান’, ‘ভাইজান’ এ সব তো পরে, সালমান খান আদতে বলিউডে কী নামে বেশি পরিচিত জানেন তো! ঠিকই ধরেছেন— প্রেম। পরিচালক সুরজ বার্জতিয়াই তাকে এই নামটি দিয়েছিলেন, আর তার পেছনেও একটি পারিবারিক গল্প লুকিয়ে আছে।

১৯৮৯ সালে সুরজ পরিচালক হিসাবে ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’ সিনেমার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন। সেই সিনেমা ছিল সুপার হিট। তারপরে তিনি ও সালমান ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’, ‘প্রেম রতন ধন পাও’- সহ যত সিনেমায় কাজ করেছেন সব জায়গায় সালমানের চরিত্রের নাম প্রেমই।

এমনকী তার অন্য দু’টি সিনেমা ‘ম্যায় প্রেম কী দিওয়ানি হু’ এবং ‘বিবাহ’-তে সালমান না থাকলেও হিরোর নাম কিন্তু প্রেমই ছিল।

পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের সময় সুরজ বলেন, ‘‘প্রেম নামটি একটা চরিত্র হয়ে উঠেছে। এমন একজন মানুষ যিনি সংস্কারী, নিজের শিকড় সম্পর্কে সচেতন, পরিবারকে ভালোবাসেন অথচ মিষ্টি চরিত্র।”

তিনি বলেন, ‘‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়ার স্ক্রিপ্ট নিয়ে কাজ করার সময়ে হুট করেই নামটা মাথায় এসেছিল। হাতে রাজ, গৌরবের মতো নামও ছিল তবে সেগুলো বেশিরভাগ সময়েই শাহরুখ খানের জন্য ব্যবহৃত হতো।”

তাঁর কথায়, ‘‘তখন আমাদের রাজশ্রী প্রোডাকশনের সবথেকে হিট সিনেমা ছিল দুলহন ওহি যো পিয়া মন ভায়ে। সেখানে হিরো ছিলেন প্রেম কিষাণ, আর তার চরিত্রে নামও ছিল প্রেম। তাই আমরা ভেবেছিলাম সেই নামটাই আর একবার ব্যবহার করলে কেমন হয়।”

সুরজের সিনেমায় সব সময়ে একটা বড় পরিবার, জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠান দেখা যায়। তিনি জানান, অনেকে হয়তো মনে করেন এগুলো এখন অপ্রাসঙ্গিক। কিন্তু আমার সিনেমা আসলে বাস্তব জীবনেরই প্রতিফলন।

তিনি বলেন, ‘‘আমি যৌথ পরিবারে মামা, কাকা, পিসিদের সঙ্গে বড় হয়েছি। তাই আমার ছোটবেলাটা খুব আনন্দে কেটেছে। সত্যি বলতে বড় হওয়ার পরেই প্রথম বুঝতে পারি জীবনটা ফুলে ঢাকা পথ নয়, বরং একটা যুদ্ধক্ষেত্র।”