শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু

0
238

আমিনুল মজলিশ : মানুষের মৌলিক অধিকারের অন্যতম শিক্ষা। শিক্ষা ছাড়া একটি জাতি এগুতে পারে না- এমন বিবেচনা থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছিলেন, গঠন করেছিলেন কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকেও করেছিলেন সরকারী। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন গঠনও বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা উন্নয়নের অন্যতম পদক্ষেপ।

আমার জীবনের একমাত্র কামনা বাংলাদেশের মানুষ যেন তাদের খাদ্য পায়, আশ্রয় পায়, শিক্ষা পায় এবং, উন্নত জীবনের অধিকারী হয়”। এটি বঙ্গবন্ধুর একটি বক্তব্য।

১৯৭২ সালের বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের এই শিক্ষা ভাষণই পরবর্তীতে সর্বজনীন সাক্ষরতা আন্দোলনে রূপ নেয়। সদ্যস্বাধীন দেশে শুধু বঙ্গবন্ধু শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ ব্যয় বরাদ্দ দেয়ার পাশাপাশি দেশের ৩৬,১৬৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করেন।

এছাড়াও তৎকালীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে অব্যবস্থাপনার মধ্যেও ১,৫৭,৭৪২ জন শিক্ষকের বেতন প্রদানের ব্যবস্থা করেন। আর অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন, শিক্ষা বৃত্তি প্রদান, এবং শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক বিকাশে তিনি যে ভূমিকা রেখেছেন তা সত্যি বিরল!

বঙ্গবন্ধুর আগ্রহের কারনেই বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ড. মুহাম্মদ কুদ্ রাত-এ-খুদার নেতৃত্বে গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন। বিশ্ববিদ্যাল মঞ্জুরী কমিশন গঠনও বঙ্গবন্ধুর সুদূর প্রসারী শিক্ষা ভাবনারই প্রতিফলন