শীর্ষ মৎস উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় যাচ্ছে বাংলাদেশ (ভিডিও)

0
250

রাকিব হাসান : মৎস উৎপাদনে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বাংলাদেশে। ২০২২ সাল নাগাদ বিশ্বে যে চারটি দেশ মাছ চাষে ব্যপক সাফল্য অর্জন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে তার শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশের নাম।

২০২১ সাল নাগাদ ৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে বলে জানান মৎস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। নদীমাতৃক বাংলাদেশ জুড়ে রয়েছে অসংখ্য নদী-নালা, খাল-বিল, হাওর-বাওড় ও পুকুর। দক্ষিণে অন্তহীন সমুদ্র।
বিশাল জলসম্পদে রয়েছে অসংখ্য প্রজাতির মাছ।

দেশের পুকুর ও খালগুলোতে মাছ চাষে এরই মধ্যে নীরব বিপ্লব ঘটে গেছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ২০১৮ এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী অভ্যন্তরীন জলাশয়ে মৎস আহরনে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।

১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই বাংলাদেশে প্রথম সূচনা হয় মৎস আন্দোলনের। গণভবনের লেকে পোনা মাছ অবমুক্ত করে মৎস চাষের নতুন দ্বার উন্মোচন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় যুক্ত হয়েছে ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র এলাকা। গড়ে উঠেছে ব্লু ইকোনোমি।

নিজেদের প্রয়োজনে মাছ চাষের প্রচলিত ধারণা থেকে বেরিয়ে এসেছেন মানুষ। ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউটের সবর্শেষ সমীক্ষা অনুযায়ী উৎপাদিত মাছের ৭৫ শতাংশই এখন বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করছেন মাছ চাষীরা।

দেশের প্রায় ২ কোটি মানুষের জীবন জীবিকা মৎস সম্পদের সাথে জড়িত। মোট কৃষিজ আয়ের ২৪ শতাংশ আসে এই খাত থেকে। মোট প্রাণীজ আমিষের ৬০ ভাগ যোগান দেয় মৎস খাত।

উন্মুক্ত জলাশয়ে মৎস উৎপাদন বাড়াতে জেলেদের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার। সরকারের পদক্ষেপেই বিগত অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১লক্ষ টন।

প্রচলিত মাছের পাশাপাশি অপ্রচলিত মৎস পণ্য যেমন কুইচ্চা ও কাকড়া উৎপাদনেও নেয়া হয়েছে প্রকল্প। দেশে মৎস উৎপাদনে এমন সফলতায় খুশি সাধারন মানুষ।