হাসান জাকির:

উচ্চ শিক্ষা শিক্ষাসমাপ্তির শেষ যোগ্যতা যাচাইয়ের অন্যতম মাধ্যম থিসিস পেপার। যেখানে একজন শিক্ষার্থীর যোগ্যতা ও মেধার পরিচয় ফুটে ওঠে।

তবে রাত হলেই বিভিন্ন কম্পিউটারের দোকানে দেখা মেলে এমন অসাধু শিক্ষার্থীর, যারা পুরনো থিসিসগুলো নতুন মলাটে শুধুমাত্র কপি করেন, আর এভাবেই পরিশ্রম না করে, জমা দেন গবেষণা কার্যসম্পাদনের বই।

রিপোর্টার: হাসান জাকির

রাত হলেই নীল ক্ষেতের বিভিন্ন কম্পিউটারের দোকানে দেখা মেলে অসংখ্য শিক্ষার্থীর। প্রায় সবার উদ্দেশ্য একই, হাতে পর্যাপ্ত সময় নেই তাই চলছে থিসিস সংগ্রহের কাজ।

পাশেই চলছে বই বাঁধাই কার্যক্রম। তবে ক্যামেরায় কথা বলতে রাজি নন কোন শিক্ষার্থী। তাদের কথায় পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় তারা এভাবেই তৈরি করেন গবেষণা কার্যসম্পাদনের বই। যার চিত্র নীলক্ষেতের অধিকাংশ বাইন্ডিং ও কম্পিটারের দোকানে দেখা যায়।

এ অভিযোগ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি। অবশ্য ব্যতিক্রম রয়েছে বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও। যদিও বা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা বলছেন, থিসিসে রয়েছে শিক্ষা সমাপ্তির শেষ যোগ্যতা যাচাই বাছাই।

অপরদিকে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান ভিন্ন কথা। নিজের মতামত দেওয়ার বিষয় হচ্ছে থিসিস। সেখানে অন্য কারোটা দিলে থিসিস হবে না বলে মনে করেন তারা।

এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আখরুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদের এহেন কাজে তাদের মেধার সঠিক মূল্যায়ণ উঠে আসে না। এর জন্য অনৈতিক কাজের শাস্তি পাওয়া উচিৎ শিক্ষার্থীদের।