হাসান জাকির:
রাজধানীর অন্যতম জনবহুল এলাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল। এই টার্মিনালকে কেন্দ্র করেই জিবীকা নির্বাহ করে কয়েক লাখ মানুষ। আর এই সকল লোকের ভীড়েই প্রস্ফুটিত হচ্ছে মানবিকতা।

রাজধানীর ব্যস্ততম ও জনবহুল এলাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল। যাকে ঘিরে এলাকাটিতে গড়ে উঠেছে নানাবিদ ব্যবসা বাণিজ্যের দোকান ও শপিংমল। তাই সর্বদা এলাকাটিতে আনাগোনা চলে জন-মানবের।

টার্মিনালের প্রবেশ মুখেই উঠে আসে জীবিকা নির্বাহের গাইড বাধা কার্যক্রম। যে কাজে নিয়োজিত রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক শ্রমিক। এই করে যারা চালান তাদের সংসার খরচ পারিবারিক খরচ ও ছেলে মেয়ের পড়াশুনাও।

ভেতরেও রয়েছে লাল পোষাকের দিনমুজুরও। সাংসারিক খরচ জোগাতে তারাও চালিয়ে যাচ্ছেন গাইড কিম্বা মূল্যবান মালামাল পরিবহনের কাজ। তবে ব্যতিক্রমও রয়েছে দু’একজন।

তাদের কথায় টার্মিনালের চিত্র এখন আগের মতো নেই। কর্তৃপক্ষের সার্বিক নজরদারী ও সহযোগীতায় অনেকটা স্বস্তিতেই রয়েছেন তারা।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টা। সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় মাইটিভির সাপ্তাহিক আয়োজন ‘‘আলো আঁধারের গল্প’’ টিমের চলছে অনুসন্ধান কার্যক্রম। হঠাৎ ক্যামেরায় উঠে আসে আদর যত্মে একজনকে মুখে আহার তুলে দেয়ার এই চিত্র।

যা দেখে হঠাৎ থমকে দাঁড়ালো হৃদস্পন্দনও। জানতে পারি মাস খানে আগে লঞ্চ ঘাটের ভিআইপি টার্মিনালে সঙ্গাহীন অবস্থায় পড়ে ছিলেন মধ্যবয়সের এই নারী। প্রাথমিক পরিচর্চা ও সেবাশুশ্রায় তার জ্ঞান ফিরে আসলেও কি কারণে কেন তিনি এখানে তা আজো জানায়ায়নি।

রিপোর্টার: হাসান জাকির

নাম পরিচয় ও ঠিকানা না থাকলেও সেই থেকে আজো তার নিরাপত্তা ও সেবাশষ্রুষায় চালিয়ে যাচ্ছেন টার্মিনালের শ্রমিক পরিচালনাকারী।

তার কথায় জনমানুষের ভিড় থাকলেও মানবতা লুকিয়ে থাকে না। অত:পর আমারা নৌকার সাওয়ারী। নদী পার হতে জানলেও সংসার নামক মহাসমুদ্র কিভাবে তিনি পাড়ি দিচ্ছেন জানতে চাই মাঝিমাল্লার কাছে।