সম্ভাবনাময় হয়েও কেন লোকসানের আশঙ্কায় থাকেন খামারিরা?

0
67

মাহবুব সৈকত : গত কয়েক বছরে সারা দেশেই গড়ে উঠেছে উল্লেখযোগ্য পরিমানে গবাদি পশুর খামার। গো খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানাবিধ কারনে মাত্রাতিরিক্ত খরচ হয়েছে তাদের। পবিত্র ইদ উল আযহাকে কেন্দ্র করে খরচ পুশিয়ে লাভের স্বপ্ন দেখছেন খামারীরা। যদিও লোকসানের শংকাও রয়েছে খামারী এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে। কিন্তুু কেন ?

মাই টিভির নিয়মিত আয়োজন,  ‘আমাদের চোখ’ এ বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

ছোট বড় মিলিয়ে দেশে গবাদি পশুর খামার রয়েছে প্রায় সাড়ে চার লাখ। পুষ্টিকর দুধের চাহিদা মিটিয়ে দেশে মাংসের চাহিদা পুরনে এখন আর নির্ভর করতে হচ্ছে না পাশের দেশের উপর । উত্তর এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলেই গড়ে উঠেছে বেশির ভাগ খামার, তবে সারা দেশে এর সম্ভাবনা লক্ষণীয়। কিন্তুু সংকটও রয়েছে ।

হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রমে গড়ে তোলা খামারের নজর কারা গরু পবিত্র উদুল আযহায় ন্যায্যমূল্যে বিক্রি নিয়ে শংকায় খামারিরা। শংঙ্কার যথার্থতা খুজতে চলুন ঘুরে আসি রাজধানীর অন্যতম গরুর হাট গাবতলী।

প্রবেশ মুখে ই সবার আগে নজরে পড়বে যে গরুগুলো তা দেশীয় খামারের নয়।
একটু সামনে এগিয়ে গেলে অস্বাভাবিক বড় আকারের এই গরু গুলোও প্রতিবেশি দেশের।

তবে আশার কথা হচ্ছে হাজারো ভিড়ে দৃষ্টি কেড়ে নিবে যে গরু, তা কিন্তু দেশীয়। সাধ্যের মধ্যে কিছুটা ছোট আকারের দেশি গরুও পাওয়া যাচ্ছে হাটগুলোতে।

এবার চলুন মহিষের বাজাড়ে। দেশীয় থাকলেও আধিক্য ভারতীয় মহিষের। প্রতি বছরের মত এবারও হাটে আসছে মরুর জাহাজ খ্যাত, উঠ। আর ছাগলের বাজার পুরোটাই নির্ভরশীল দেশীয় জাতের উপর ই।
ভিন্ন মত থাকলেও এই ব্যাসার সাথে জড়িতরা মনে করেন, নাগালের মধ্যে থাকবে এ বছরের কোরবানীর গরুর বাজার।

তবে খামারীদের মত ব্যাবসায়ীদেরও সংকা ভারতীয় গরু নিয়ে। একই মত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ও। সিংক: ডা. হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক – মহাপরিচালক, প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর। অন্য দিকে কেবলমাত্র সীমান্ত নিয়ন্ত্রন ই নয়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাট পর্যন্ত আসতে নানামুখি প্রতিবন্ধকতা এবং চাদাবাজি বন্ধের ও দাবী পাইকারদের। ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়ের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশের জন্য সম্মিলিত পদক্ষেপ চান সংশ্লিষ্টরা।