সরকারী চাকরিতে ডোপ টেস্ট, উত্তোরণ ঘটতে পারে মাদক পরিস্থিতির (ভিডিও)

0
148

আবু সাঈদ অপু :

সরকারি চাকুরি মানেই সোনার হরিণ। আর এই স্বপ্নের হরিণ ধরতে হলে, অবশ্যই হতে হবে শারীরিক পরীক্ষার মুখোমুখি। এমনকি এই পরীক্ষায় বিষয়টি ধরা পড়লে-যোগ্যতা ও মেধা থাকার সত্বেও বাতিল বলে গন্য হবে। বলছি ডোপ টেস্টের কথা। কিভাবে আর কেমন করে হয় ডোপ টেস্ট সে তথ্যই এবার তুলে ধরা হয়েছে মাই টিভির নিয়মিত আয়োজন ‘ঘটনার অন্তরালে’।

মাদকের সহজলভ্যতা ও বিস্তার ঠেকাতে দেশ জুড়ে চলে মাদকের অভিযান। সরকারের জিরো টলারেন্স নীতিতে মাদক দমন করা হয়েছে ঠিকই। তবে মাদক ব্যবসায়ীরা কৌশল পরিবর্তন করে ছোটখাটো ব্যবসা এখনও চালাচ্ছেন ।

সেই পথে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর নজরদারী থাকলেও সরকার অবলম্বন করেছেন ভিন্ন পথ। এবার যে কোন সরকারি চাকুরি ক্ষেত্রে ডোপ টেষ্ট বাধ্যতামূলক। এমন প্রজ্ঞাপনও জারি করেছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়।

তবে কজন জানেন এই ডোপ টেষ্ট সর্ম্পকে। কেউ না জানলেও পুলিশ অধিদপ্তর সূত্র বলছে, মাদক ব্যবসায় ও মাদক সেবনের অভিযোগে গত এক বছরে পুলিশের শতাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ মধ্যে ৬ মাসে কেবল ৬৭ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি বছর এসিআরের সময় স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশপাশি ডোপ টেষ্টও বধ্যতামূলক । স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দেশে মোট মাদক সেবীর সংখ্যা ৭০ লাখ। তবে চাকুরিতে প্রবেশের সময় যার ফলাফল নেতিবাচক আসবে তিনি চাকুরির অযোগ্য ব্যাক্তি বিবেচিত হবেন।

ডোপ টেষ্ট করা হবে মাথার চুল, মুখের লালা ও রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে। তবে ডোপ টেষ্টটি ৫ বাধ্যমূলক করলে যুবসমাজের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলবে।