সরকার শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

0
60

সরকার শক্তিশালি গ্রামীণ অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পেট্রল বোমা ও জঙ্গি হামলায় নিহতদের পরিবার ও আহতদের আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সোমবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পেট্রোল বোমার আঘাতে নিহতদের পরিবারের সদস্য ও আহতদের আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করেই বর্তমান সরকার নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে চলেছে। সরকার শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছে। অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারলে দেশের মানুষের উপকার হবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা ও প্রাণ বাঁচতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের ব্যবস্থা করা হবে।

প্রধানমন্ত্রী পেট্রোল বোমার আঘাতে নিহতদের পরিবারের সদস্য ও আহতদের আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠেকানোর নামে সহিসংতায় হতাহত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।

এ ছাড়া বিভিন্ন সময় জঙ্গি হামলায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন- তাদের পরিবারের সদস্যদেরও সহায়তার চেক তুলে দেন শেখ হাসিনা।

এ সময় তিনি বলেন, কেবল শীত পড়তে শুরু করেছে। মিয়ানমার থেকে যারা এসেছে, এছাড়া আমাদের সাধারণ নাগরিকদের আমাদের ত্রাণ তহবিল থেকে যতদূর সম্ভব শীত বস্ত্র পাঠানো হবে। আপনারা ব্যাংক থেকে অনেক কিছু করছেন। মানুষের জন্যে সেবা করার এই মনোভাব সব সময় থাকতে হবে।

বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের সংগঠন-বিএবি, পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন-বিজিএমইএ সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দেয়া শীতবস্ত্র গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা।

এ সময় নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে ব্যাংক পরিচালনার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেসরকারি খাতের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার সব সময়ই এ খাতের উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করে আসছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ৩৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে প্রায় ১৮ লাখ পিস কম্বল প্রদান করে। প্রধানমন্ত্রী অনুদান প্রদানের জন্য ব্যাংকগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রয়োজনে সব সময়ই এই ব্যাংকগুলো তাদের সহযোগিতার হাতকে প্রসারিত করে থাকে।

প্রধানমন্ত্রী এসব কম্বল দেশের উত্তর জনপদের শীতার্ত জনগণ, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং কক্সবাজার জেলার দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন।