সাবধান! স্মার্ট ফোনে লুকিয়ে অকাল মৃত্যু

0
88

সম্প্রতি গবেষকরা দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল ব্যবহার করলে মানসিক অবসাদ, মানসিক অস্থিরতা এবং অনিদ্রার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বলে দাবি করেছেন।

এই তিনটি রোগের মধ্যে একটির কবলে পড়লেই হানা দিতে পারে অন্যান্য সব মারণ রোগ। পাশাপাশি মানুষের আয়ু কমে যায় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সময় এসেছে সাবধান হওয়ার।

প্রতিদিন বহুজাতিক মোবাইল প্রস্তুককারক কোম্পানিগুলো নতুন নতুন বৈশিষ্ট নিয়ে বাজারে আনছে মোবাইল ফোন। নতুন প্রজন্মের তুরণ-তরণীরা স্মার্ট ফোনের নেশায় বুঁদ হয়ে পড়েছে।

নতুন আবিষ্কার মানুষের যেমন মঙ্গল ভয়ে আনে অভিশাপ তেমনি নামিয়ে আনে। কারণ এই স্মার্ট ফোন কেড়ে নিচ্ছে তরতাজা প্রাণ। তবু আমরা অন্ধের মত ফাঁদে আত্মসমর্পণ করে চলেছি। স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারীরা এই কথা শুনে অবাক হতেই পারেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, স্মার্ট ফোনের নেশার কারণে শরীরের কী কী ক্ষতি হতে পারে

  • মোবাইল ফোন ব্যবহার করার সময় আমাদের শরীরের সঠিক পজিশনে থাকে না। বিশেষত পিঠ। দীর্ঘক্ষণ মোবাইলে সময় কাটানের জন্য পিঠের পেশীর কর্মক্ষমতা কমতে শুরু করে। এর ফলে শুরু হয় পিঠের ব্যথা সহ নানা সমস্যা।
  • স্মার্ট ফোন আমাদের শরীরের বিরুপ প্রভাবের পাশাপাশি মস্তিষ্কের একাধিক নার্ভের ক্ষতি করে থাকে। যে কারণে মারাত্মক মাথা যন্ত্রণা এবং মাইগ্রেনের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর প্রভাবে মস্তিষ্কের নানা রোগ হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।
  • নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি’র গবেষক‌রা সমীক্ষা করে দেখেছেন, মোবাইল বেশি ব্যবহার করার ফলে মানসিক অবসাদ ধীরে ধীরে গ্রাস করে। সেই সঙ্গে মানসিক অস্থিরতার মত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
  • মোবাইল ফোন ‌বেশি ব্যবহারে শরীরের আরও একটি মারাত্মক ক্ষতি হয়। কীভাবে জানেন? ঘুম কমতে শুরু করে। এর জেরে মস্তিষ্ক এবং শরীর ঠিক মতো বিশ্রাম পায় না। ফলে অনিদ্রার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। সম্প্রতি একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, ১৮-২৯ বছর বয়সীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশই মোবাইল সঙ্গে করে ঘুমাতে যান। কীভাবে মোবাইল ফোন ঘুমের ব্যাঘাতের করে এর থেকে প্রমাণ পাওয়া যায়।
  • আরিজোনা ইউনির্ভাসিটির বিশেষজ্ঞদের করা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে টয়লেট সিটের থেকে প্রায় ১০ গুণ বেশি ব্যাকটেরিয়া থাকে মোবাইল ফোনে। এর থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মাধ্যমে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।