সাবমেরিনেই চলছে দেহ ব্যবসা ও কোকেন নেশা

0
187

সাবমেরিন হচ্ছে একটি দেশের নিরাপত্তার অন্যতম হাতিয়ার। স্ব স্ব দেশের কর্মীরা দেশ রক্ষায় সাবমেরিনের মাধ্যমে দেশকে সুরক্ষার জন্য নিয়োজিত থাকেন। সেই সাবমেরিনেই যদি দেহ ব্যবসা ও কোকোনেরম মতো নেশার অনুশীল হয় তবে তারা কিভাবে দেশের সুরক্ষা করবেন। আর সেই দেশটি যদি হয় ব্রিটেনের মতো দেশে।

সাবমেরিনে এমনটাই ঘটেছে ব্রিটেনে। দেশটির সাবমেরিনের মধ্যেই চলছে দেহ ব্যবসা যৌন কর্মীদের অবাধ যাতায়াত। সঙ্গে নিষিদ্ধ মাদক তো রয়েছেই। এই অভিযোগে তুলকালাম ব্রিটিশ নৌ বাহিনী। সাবমেরিনেই জীবন কেটে যায় নাবিকদের। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দেশ সুরক্ষার কাজে ব্রতী নৌ সেনারা। পরমাণু অস্ত্রশস্ত্র রক্ষা করাই তাদের প্রধান কাজ।

গভীর সমুদ্রে এভাবেই মাসের পর মাস কাটে ব্রিটিশ নৌ বাহিনীর সদস্যদের। তাল কাটল কিছুদিন আগে। ব্রিটিশ নৌ বাহিনীর ৯ কর্মীর রক্তে নিষিদ্ধ মাদক পাওয়া যেতেই তুলকালামের সূচনা। সাবমেরিনের মধ্যে নিষিদ্ধ মাদক কীভাবে এসেছে এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সাবমেরিনের মধ্যেই ‘‌রেভ পার্টি’‌ চলে একই সঙ্গে মাদক ছাড়াও যৌন কর্মীদের অবাধ যাতায়াতও এমন তথ্য জানায় সাবমেরিনের একটি সূত্র।

এহেন বিশৃঙ্খলা অসহনীয় অপরাধ। এমন অপরাধ সহ্য না করার ঘোষণা দিয়েছে শীর্ষ কর্মকর্তারা। যারা এমন ঘৃণ্য কর্মের সঙ্গে জড়িতের প্রমাণ পাওয়া যাবে তাদের চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হবে বলে ব্রিটিশ নৌ বাহিনীর পক্ষ থেকে সাবধানী বাণী উচ্চারণ করা হয়েছে।

শুধু নিচুতলার নন উপরতলার কর্মীরাও যুক্ত এই অবৈধ কাজের সঙ্গে। সাবমেরিনে উচুঁ তলার কর্মীদের জন্য একটি বিশেষ ঘর থাকে। সেখানে সবার প্রবেশাধিকার নেই। এই ঘরেই চলে ‘‌রেভ পার্টি।’‌

ব্রিটিশ নৌ বাহিনী ইতিমধ্যেই নৌ বাহিনীর কমান্ডার স্টুয়ার্ট আর্মস্ট্রংসহ ৯ জনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাইকেল শীলকে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি শাসিয়েছে। রয়াল নেভির বাকি কর্মীদের চাকরিচ্যুত করার কথা বলা হয়েছে। চারিদিকে প্রশ্ন উঠেছে, যাদের হাতে দেশরক্ষার দায়িত্ব, তারাই মেতে রয়েছেন নেশায়। শত্রুরা আক্রমণ করলে কেমন করে তারা শত্রুদের মোকাবেলা করবেন? তাও ব্রিটেনের মতো দেশের সাবমেরিনে। ‌‌