আবু সাঈদ অপু :

পান বিক্রেতা ফজলু। দিনে যা আয় করেন তার পুরোটাই ব্যয় করেন নেশার ওষুধের পেছনে। আর যাদের নেই আয়-রোজগার, তারা কি করেন? তারা কেউ পা বাড়ান চুরি-ছিনতাইয়ে মতো কাছে, অথবা অন্য কোন অবৈধ পন্থায় টাকার যোগার করতে। ফজলুর মতো অনেকেই নেশায় আসক্ত।

দিন যতই যাচ্ছে ততই বাড়ছে মাদকের আগ্রাসন। বেড়েছে মাদকের ভিন্নতা, এখন যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট কিংবা সিরাপের সাথে মিশিয়ে একটি চক্র হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ-লাখ টাকা। আর এটি অবলীলায় বাজারজাত হওয়ায় অনেকে আকৃষ্ট হয়ে পড়ছেন এই নেশার সাথে।

ইয়াবা, ফেন্সিসিলসহ মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণে তৎপর পুলিশ প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো। তবে প্রশাসনের নজর এড়াতে কৌশল পরিবর্তন করে অদৃশ্য নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে বাজারজাত করা হচ্ছে যৌন উত্তেজক ওষুধ।

আর তাই বাস্তব চিত্র অনুসন্ধানে মাঠে নামে মাইটিভির টিম। দেখা যায় গুলিস্তানে অহরহ মিলছে এসব যৌন উত্তেজক নামী-বেনামী ওষুধ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মাণহীন ও অবৈধ এসব ওষুধ সেবনে, ঘটতে পারে মৃত্যুর ঘটনাও। আর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক জানালেন, অবৈধ ওষুধ বিক্রি আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।
তবে এ বিষয়ে শক্ত অবস্থানে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।