সাহেদ চার মামলায় ৭ দিন করে ২৮ দিনের রিমান্ডে

0
259

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের পৃথক চার মামলায় ৭ দিন করে মোট ২৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজকে পৃথক তিন মামলায় ৭ দিন করে ২১ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত এই আদেশ দেন।  

এর আগে সকাল ১০ টায় ১০ দিনের রিমান্ড শেষে তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিমে তিন ও উত্তরা পূর্ব থানায় প্রতারণার এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর ১০ দিন করে মোট ৪০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। এ সময় তাদের রাখা হয় আদালতের হাজতখানায়। পরে বেলা ১২টা ১০ মিনিটের দিকে পুলিশ পাহারায় একটি গাড়িতে করে বের করা হয়। এরপর শুনানির জন্য তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত সাহেদের পৃথক চারটি মামলায় ৭ দিন করে মোট ২৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালতে রিমান্ড শুনানিকালে সাহেদ বলেন, ‘আমি তো অন্যায় করেছি। সব অপরাধের সাথে আমি জড়িত। যারা আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে, তাদের সব টাকা-পয়সা পরিশোধ করব।’

মো. সাহেদ বলেন, ‘গত ১২-১৩ দিন ধরে আমি কী অবস্থার মধ্যে আছি। আমি আর পারতেছি না। প্রেসারের মধ্যে আছি। আমি অসুস্থ।’ ঈদের পর রিমান্ড শুনানির তারিখ ধার্য করার আবেদন জানান সাহেদ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এর বিরোধিতা করে বলেন, ‘বিনা টাকায় করোনা পরীক্ষা করার কথা থাকলেও আসামি রোগীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছে। সে একজন মহাপ্রতারক। অসুস্থ না হয়েও গত ১৬ জুলাই আদালতে সে নিজেকে করোনা রোগী বলে দাবি করে। আসামি আষাঢের গল্প বলছে। পুলিশ তার যে রিমান্ড চেয়েছে, আমরা তা মঞ্জুরের প্রার্থনা করছি।’

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ১৫ জুলাই বুধবার ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাহেদকে। এর আগে ৬ জুলাই সাহেদের নিয়ন্ত্রণাধীন উত্তরা ও মিরপুরের রিজেন্ট হাসপাতালের দুটি শাখায় অভিযান চালান র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।