শারমিন আজাদ :

একটু আয়েশে কেনাকাটা করতে অনেকেই ভিড় করেন সুপারশপে। কিন্তু সেখানে কি সত্যিই স্বস্তির বাজার করতে পারেন ক্রেতা? নাকি পকেট কাটছেন ভদ্রবেশী বিক্রেতা? সেই উত্তরের খোঁজে নিয়ম অনিয়মের অনুসন্ধানি টিম। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযোগের আঙুল কিন্তু রয়েই গেছে সুপারশপে। রিপোর্ট করছেন ।

পরিবেশ আইনে আছে, ব্যবহার করা যাবে না পলিথিন। বাজারগুলোতে যেটা নিষিদ্ধ, সেই একই নিয়ম কিন্তু সুপারশপেও। অথচ এখানে নিয়মের অনিয়ম চলছে সিসি ক্যামেরার সামনেই।

স্বাস্থ্য সম্মত নিত্যপণ্যের কথা কেবল মুখে। আসলে বাইরের চাক্যচিক্য দিয়েই ক্রেতাকে টানছে এসব দোকান। তাই মুখে মধু অন্তরে বিষের মতো এসব জায়গা থেকে পণ্য কিনে ক্রেতারা ঠকছেন অহরহ।

দামের হেরফের তো থাকেই অনেক পণ্যে। তার উপর থাকে ভ্যাট। দাম নিয়ে দোকানগুলোর কারসাজি প্রায়ই ধরা পড়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চোখে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক বলছেন, এর বিরুদ্ধে অভিযোগের সুযোগ আছে,আইনও আছে, তবেবেশিরভাগ ক্রেতাই অভিযোগ নিয়ে যান না সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে।

তারপরও সময় বাঁচাতে, স্বস্তির টানে ক্রেতারা ভিড় করেন সুপার শপ গুলোতে। কর্তৃপক্ষ মনে করছে, ভোক্তা ঠকানোর কারসাজি থেকে বেরিয়ে আসা উচিৎ এসব বিপণীর।