সুস্থতার জন্য তেজপাতাকে অবহেলা করবেন না

0
87

পুস্পিতা জাহান: 

পায়েস থেকে শুরু করে মাছ, মাংস বা নিরামিষ তরকারিতে তেজপাতা বাধ্যতামূলক। আর তেজপাতা শুনলে প্রথমেই মনে আসে, মা দাদীদের বলা সেই কথা ‘তেজপাতা ফেলে দেওয়ার আগে একবার চাটো। শাশুড়ি ভাল হবে।” তবে তেজপাতার শুধু এটুকুই নয়, আরও অনেক গুণ রয়েছে! চলুন জেনে নিই তার গুনাগুণ।

১) হজমশক্রি বাড়ায়: ফলে শরীরের মেটাবলিজমের হারও বৃদ্ধি পায়। ফলে ওজন অনেকটাই কমে। এছাড়াও, পেটফাঁপা, বদহজম, বুকে জ্বালা কমাতে তেজপাতা এক্সপার্ট। অরুচি হলে, রান্নায় তেজপাতা দিন। মুখে স্বাদ ফিরবে।

২) তেজপাতায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা হার্টের ইনফেকশন কমায়। এতে থাকা অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। সর্দিকাশি, কফ জমা, ফ্লু-তে তেজপাতা সেদ্ধ করে সেই পানি খান কিংবা তেজপাতা সেদ্ধ করে বেটে, বুকে মালিশ করুন। নিমেষে আরাম পাবেন।

৩) ব্যথা কমাতে সিদ্ধহস্ত তেজপাতা। চোট লেগে ফুলে গেলে তেজপাতার তেল মালিশ করুন। মাথাব্যাথা, মাইগ্রেনের ব্যথাতেও ম্যাজিকের মতো কাজ করে তেজপাতার তেল।

৪) কিডনির প্রদাহ কমাতে তেজপাতা পানি সিদ্ধ করে তা পান করুন। কিডনিতে পাথর হলেও তেজপাতা সিদ্ধ করা পানি কাজে দেয়।

৫) সবরকম ‘বিউটি সলিউশন’-এ একশোয়ে একশো তেজপাতা। তেজপাতা ভেজানো জলীয় বাষ্প মুখে লাগালে ত্বকে বলিরেখা কমে। তেজপাতা সিদ্ধ পানি ঠান্ডা করে মুখ ধুয়ে নিন। ব্রণ গায়েব, ত্বক ঝলমল করবে। দাঁতের হলুদ ছোপ দূর করতে, সপ্তাহে ৩-৪দিন তেজপাতা ঘষে নিন। তেজপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে স্কাল্প পরিস্কার করলে খুশকি কমে। ১ টুকরো পরিস্কার কাপড়ে তেজপাতা গুঁড়ো করে, উষ্ণ গরম পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। তারপর গোসল করুন। শরীরের দুর্গন্ধ উধাও!