সোনার হরিণ পাত্র-পাত্রী দেখি পকেট কাটছে ম্যারেজ মিডিয়াগুলো (ভিডিও)

0
240

শারমিন আজাদ : পাত্র-পাত্রী চাই বিজ্ঞাপন দেখে অনেকেই হচ্ছেন হয়রানির শিকার। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সোনার হরিণ পাত্র বা পাত্রীর পেছনে ছুটে পকেট খালি হয়েছে তাদের। এ বিষয়ে নিজেরাই ফি নির্ধারণ করেন ম্যারেজ মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলো।

পাত্র পাত্রী চাই এমন বিজ্ঞাপনে থাকে অনেক অপ্রত্যাশিত স্বপ্নের ডাক। ইমিগ্রেন্ট পাত্রীকে বিয়ে করে ইমিগ্রেশনের লোভ। ডিভোর্সি পাত্রীকে বিবাহের টোপ। এমন অনেক অধরা স্বপ্ন পূরণের হাতছানিতে প্রতারিত হয়েছেন অনেকে।

এসব বিজ্ঞাপনের খোঁজে টেলিফোনে খোঁজ নেয় মাই টিভির ‘নিয়ম অনিয়ম’ টিম। সেসময় তাদের নিয়ম কি জানতে চাইলে আগেই জানিয়ে দেন সদস্য ফি ১০ হাজার টাকা। অর্থাৎ পাত্র-পাত্রী পছন্দ হোক বা না হোক প্রথমেই গুনতে হবে টাকা।

তারপর বিয়ে হলে এক লাখ কিংবা পাত্র বা পাত্রী পক্ষের অর্থনৈতিক অবস্থা বুঝে তিন লাখ পর্যন্তও ফি নেয় প্রতিষ্ঠানগুলো। এর জন্য কোন সুনির্দিষ্ট নিয়মের ধার ধারে না প্রতিষ্ঠানগুলো।

এসব প্রতিষ্ঠানগুলো দায় চাপাচ্ছে একে অপরের ওপর। সহজ সরল বেকার যুবকরা বেশিরভাগ সময়ই এ ধরণের বিজ্ঞাপনের প্রলোভনে পড়েন। বিভিন্ন সময় এ ধরণের কিছু প্রতারককে আইনের আওতায়ও এনেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।