সৌদি নারী অধিকার কর্মীর ৬ বছরের কারাদণ্ড

0
529

সৌদির সুপরিচিত নারী অধিকার কর্মী লুজাইন আল হাথলুলকে পাঁচ বছর আট মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। তার পরিবারের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সৌদি সরকার কর্তৃক তিন বছর আগে আটক হন এই নারী অধিকার কর্মী। বিদেশী দলগুলির সঙ্গে গুপ্তচরবৃত্তি ও রাজ্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় এ রায় দেয় সৌদি আদালত। তবে আদালত তার সাজার ২ বছর ১০ মাস স্থগিত করেছে এবং তার জেলের মেয়াদ শুরুর তারিখ ২০১৮ সালের মে মাসে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার মানে মাত্র তিন মাস সাজা খাটতে হবে তাকে। 

৩১ বছর বয়সী লুজাইন আল হাথলুল প্রথম খবরের শিরোনামে উঠে আসেন ২০১৪ সালে। সে সময় গাড়ি চালিয়ে সৌদি আরব থেকে আরব আামিরাতের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। তখন অবশ্য নারীদের গাড়ি চালানোর বিষয়ে কড়া নিষেধাজ্ঞা ছিল সৌদিতে। যদিও পরবর্তীতে গাড়ি চালানোসহ বেশ কিছু বিষয়ে নারীদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।

এরপর ২০১৮ সালের ১৫ মে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে সময় তার সঙ্গে আরও কয়েকজন নারী অধিকার কর্মীকেও গ্রেফতার করা হয়। নারীদের গাড়ি চালানোর বিষয়ে নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে আসছিলেন তারা। গ্রেফতার হওয়া এই নারীরা তাদের সাজার বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন লুজাইনের বোন।

যদিও তা নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনার শিকার হয়েছে সৌদি আরব।

এই মানবাধিকার কর্মীর বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণার ঘটনায় সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ নব-নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আগে থেকেই সৌদির মানবাধিকার লঙ্ঘনের তীব্র সমালোচনা করে আসছেন।