স্কুলে অতিরিক্ত টাকা নিয়েও নিম্নমানের শিক্ষা দিচ্ছে একদল শিক্ষা ব্যবসায়ী

0
162

জাহিদ আহমেদ বাবু : দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থপনা নিয়ে নানান অভিযোগ অভিভাবকদের। স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষ উন্নয়ন ফিসহ বিভিন্ন খাতের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ইচ্ছেমত অর্থ আদায় করলেও উন্নত হচ্ছেনা শিক্ষার মান ও পরিবেশ। অভিভাবকরা জানিয়েছেন, এসব নিয়ে প্রতিবাদ করলে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে তাদের।

সন্তানের লেখা পড়ার খরচ যোগাতে মেরুদন্ড ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম অভিভাবকদের। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ইচ্ছেমত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে অনেক স্কুলের বিরুদ্ধে। এমনই অভিযোগের ভিত্তিতে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হলে মাই টিভির সংবাদ টিম বাধার সম্মুখিন হয়।

পরে অবশ্য এক শিক্ষক মিষ্টি কথা বলে বিষয়টিকে হালকা করার চেষ্টা করেন। আরেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা গেলো এখানকার শ্রেনী কক্ষগুলোতে নোংরা পরিবেশ, অপর্যাপ্ত আলো বাতাস এবং বৈদ্যুতিক ফ্যানের অপ্রতুলতা। অথচ অধ্যক্ষ আছেন শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে। এসব বিষয় নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগের অন্ত নেই। আর বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানেরই কর্ণধার সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা হওয়ায় অনিয়ম নিয়ে প্রতিবাদ করা প্রায় দু:সাধ্য।

দেশে মানুষ শিক্ষামূখী হওয়ায় রাজধানীর যত্রতত্র শতশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলেও এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে না সঠিক নিয়ম-কানুন অনুসরন করে।

ভর্তির ক্ষেত্রে সরকার কঠোর অবস্থান নেয়ায় স্কুল ও কলেজগুলোতে ভর্তী ফি আদায়ে নিয়ম মেনে চললেও উন্নয়ন ফি আদায়ের নামে চলছে সীমাহীন নৈরাজ্য।

শিক্ষার পরিবেশ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের চেয়ে প্রতিষ্ঠান গুলো বেশি মনোযোগী একাধিক ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে। এছাড়া শিক্ষদের কঠিন বানিজ্য তো রয়েছেই।

সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করলেও শিক্ষার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ,অমানবিকভাবে অর্থ আদায়রোধে নেই কোনো কড়া নজরদারী।