স্কুল খোলা সম্ভব না হলে বিকল্প কোন উপায় নিয়ে ভাবতে হবে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

0
515

আগামী নভেম্বরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা সম্ভব না হলে অটোপাসের ইঙ্গিত দিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম হোসেন।

রবিবার সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আকরাম-আল-হোসেন এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালনের তথ্য ও কর্মসূচি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলন সাক্ষরতা দিবসের তথ্য তুলে ধরেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। তিনি জানান, বর্তমানে দেশে সাক্ষরতার হার ৭৪ দশমিক ৭ শতাংশ। যা ২০০৫ সালে ছিল ৫৩ দশমিক ৫ শতাংশ।

সিনিয়র সচিব মো. আকরাম হোসেন বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেটা দেখে তাঁরা এগোচ্ছেন। অক্টোবর ও নভেম্বর মাথায় নিয়ে দুটি পরিকল্পনা আছে। যদি অক্টোবরে বিদ্যালয় খোলে, তাহলে এক ধরনের চিন্তা। যদি নভেম্বরে খোলে তাহলে মূল্যায়নের জন্য আরেক ধরনের চিন্তা আছে। আর যদি বিদ্যালয় না খোলা যায়, তাহলে অবশ্যই পরীক্ষা হবে না।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ভিত্তিক মূল্যায়ন করতে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। অক্টোবর ও নভেম্বরকে কেন্দ্র করে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। স্কুল খুললে তার উপর পরীক্ষা নিয়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেনির শিক্ষার্থীদের ক্লাস মূল্যায়ন করা হবে। স্কুল খোলা সম্ভব না হলে আমাদের বিকল্প কোন উপায় নিয়ে ভাবতে হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব বলেন, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অনেক কিন্ডারগার্টেন স্কুল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এ জন্য শিশুরা যাতে ঝরে না পড়ে, সে জন্য ইতিমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ওই সব এলাকার (ক্যাচমেন্ট এরিয়া) প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেন তাদের ভর্তি করা হয়।

করোনার কারণে ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। এ কারণে এ বছরের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, এ বছর নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মূল্যায়নের ভিত্তিতে ওপরের ক্লাসে উত্তীর্ণ করা হবে।