অনুমোদনহীনভাবে চলছে ১০ টিভি চ্যানেল ও অসংখ্য আইপি টিভি (দেখুন ইউটিউব ভিডিও)

0
2135

আবু সাঈদ অপু : আধুনিক সভ্যতায় শতভাগ আস্থা ও নির্ভরতার এক প্রতীকের নাম প্রযুক্তি। সময়ের সাথে প্রযুক্তি, আর প্রযুক্তির সাথে সময়ের এই বন্ধন, সামাজিক সমীকরনে যেমন এনে দিচ্ছে নতুন-নতুন মাত্রা তেমনি নিয়ন্ত্রণহীনতার কারনে এর অপব্যবহারও বাড়ছে লাগামহীনভাবে। এর ফলে সম্প্রচার মাধ্যম চলে যাচ্ছে ভিন্ন এক নীতিতে।

একবিংশ শতাব্দীর শেষ প্রান্তে এসে এখন প্রযুক্তিতে অনেকটাই সক্ষমতার পথে বাংলাদেশ। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ায় সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্র ও ব্যবস্থাপনায় বেড়েছে গতিশীলতা। বর্তমানে জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা অনুসরণ করে সম্প্রচারে রয়েছে ২৮টি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল। এর মাধ্যমে সঠিক তথ্য ও বিনোদন পাচ্ছেন দেশ-বিদেশের মানুষ।

তবে কোন অনুমোদন না নিয়ে এর বাইরে দুটি ফিকোয়েন্সির উপর ভর করে ১০টির বেশি টেলিভিশন রমরমা বানিজ্য করছে।

অ্যাপ স্টার সেভেন ওয়েবের তথ্যানুযায়ী দেখা যায় যে, ফ্রিকোয়েন্সি ৩৭৬৯ এবং ৩৭৯৯ আপলিংক এর মাধ্যমে বিদেশী স্যাটেলাইটে অনুমোদনহীভাবে অবাধে চলছে দেশী সংস্কৃতি ও বিজ্ঞাপন পূর্ণ সম্প্রচার। এর ফলে যেমন রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে সরকার, তেমনি ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় সংস্কৃতি। আর ভার্বমূর্তিও নষ্ট হচ্ছে দেশের।

এমনকি, সফটওয়ারের মাধ্যমে – অনলাইন জগতে, শুধু মাত্র ব্রডকাষ্টিংয়ের জন্য- ওয়ার্ল্ড আইপি টিভি নামের উপর ভর করে , বিদেশী সার্ভার বা অপশন প্রক্রিয়া সেট আপ করে , নামে-বেনামে চালানো হচ্ছে অসংখ্য অনলাইন টিভি; যা বিভ্রান্ত করছে সাধারণ মানুষকে।

সাধারণ মানুষের এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, এবার বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা বলতে চাই আমরা। তবে এদের কাউকে পাওয়া গেল না। পাওয়া গেল না কোন প্রতিষ্ঠানের কর্তাকে। তবে, এসব বন্ধে এবং বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টিভি চ্যানেল ওনার্স প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন, তুলে ধরেন মালিক পক্ষের বিভিন্ন দাবি।

যদিও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে নিয়ে আসার আশ্বাস ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর। তবে সার্বিক এই পরিস্থিতিকে পর্যবেক্ষন ও প্রযুক্তিগতভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তবে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে এই চক্রটিকে ধরতে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পাশপাশি বেশ তৎপর সিআইডির ক্রিমিনাল ইনভেষ্টিগেটিভ ডিপার্টমেন্টও।