রাকিব হাসান :

২০১৯ সালে চালু হচ্ছে দেশের প্রথম মেট্রোরেল। জনসংখ্যার অধিক ঘনত্বের শহর ঢাকার জন্য এই প্রকল্পটি সরকারের অত্যন্ত সময়পোযোগী পদক্ষেপ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। একইসাথে সবগুলো বিভাগীয় শহরের জন্যও এখনই এই ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করতে সরকারের প্রতি পরামর্শ দেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসাইন।

উন্নত বিশ্বে যোগাযোগকে সহজতর করার এক অসাধারণ উদাহরণ হলো মেট্রোরেল। ২০১২ সালে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে মেট্রোরেলকে অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক।

ঢাকা মেট্রোরেল ব্যবস্থাকে ম্যাস র‌্যাপিড ট্রান্সপোর্ট সংক্ষেপে এমআরটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এটি চালু হলে পুরো শহরের ট্রাফিক সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসাইন।

এ প্রকল্পকে সময় উপযোগী উল্লেখ করে একই সাথে সাপোর্টিং বাস সার্ভিস চালুরও পরামর্শ দেন বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক।

উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০.১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

ঘন্টায় প্রায় ৬০ হাজার যাত্রী চলাচল করবে মেট্রোরেলের মাধ্যমে। ১৬টি স্টেশনে ৫মিনিট পর পর একটি করে মেট্রোরেল পাবে যাত্রীরা।
আপস..
তিনটি পথে চলবে মেট্রোরেল। এর মধ্যে একটি পথে মেট্রোরেল স্থাপনের কাজ শুরু হলেও বাকি দুটি পথে এখনো যাচাই হয়নি সম্ভাব্যতা। স্বপ্নের এই মেট্রোরেল চালুর অপেক্ষায় সাধারণ মানুষ।