২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ২৬তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ (ভিডিও)

0
191

রাকিব হাসান : যে কোন দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও সমৃদ্ধশালী করতে শিল্পায়নের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি নির্ভর অর্থনীতির উপর চাপ কমিয়ে আনতে এরই মধ্যে নানা উদ্যোগ গ্রহন করছে সরকার।

সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও নতুন উদ্যোক্তা তৈরীতে সরকারের শিল্পনীতিতে কিছু পরিবর্তন আনার প্রস্তাব দিয়েছেন বেসরকারি শিল্প মালিকরা।

টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতি অর্জনে যেকোন দেশেই ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন অপরিহার্য।
অর্থনৈতিক উন্নতি মূলত দেশটির শিল্প ও শিল্পায়নের উপর নির্ভর করে। তাই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাজার ব্যবস্থাপনায় দেশের অস্তিত্ব রক্ষার্থে শিল্পের অগ্রগতি অপরিহার্য।

বঙ্গবন্ধু তৎকালিন পূর্বপাকিস্তানেই শিল্পায়নের স্বপ্ন বুনেছিলেন। তার হাত ধরেই ১৯৭২ সালে গঠিত হয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রনালয়।

বঙ্গবন্ধুর শিল্প দর্শনের আলোকে বাংলাদেশকে একটি শিল্প সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্রে পরিণত করতে উদ্যোগ গ্রহন করেন তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার বিচক্ষণ নেতৃত্বে এরইমধ্যে বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে উদিয়মান অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

হংকং সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন এইচ এসবিসিরি সর্বশেষ গ্লোবাল রিসার্চ অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদন নিরিখে বিশ্বের ২৬তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বর্তমানে এই অবস্থান ৪২তম।

মোট দেশজ উৎপাদনে শিল্পখাতের অবদান ৩৩ দশমিক ৭-১ ভাগ। ২০২১ সালে লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ৪০ ভাগে।

দেশী বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে তৈরী করা হচ্ছে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। দেয়া হচ্ছে প্রনোদনা, প্রণয়ন করা হয়েছে শিল্পনীতি।

অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি শিল্প বিকাশের লক্ষে বেশ কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরেন বেসরকারী শিল্পমালিকরা।

তারা মনে করেন উন্নয়নের বর্তমান গতি অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালের আগেই মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের আগেই উন্নত সমৃদ্ধশালী দেশ হবে বাংলাদেশ।