২৩ জনের মরদেহ আসছে আজ

0
66

নেপালে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ আজ দেশে আসছে। বিমান বাহিনীর একটি বিমানে মরদেহগুলো দেশে আনা হবে। বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টারমাক-১ এ অবতরণ করবে।

সেখান থেকে মরদেহগুলো সরাসরি নিয়ে যাওয়া হবে আর্মি স্টেডিয়ামে। সেখানে শ্রদ্ধা জানাবেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে সকালে মরদেহগুলো নেপালের বাংলাদেশ দূতাবাসে নেয়া হয়। সেখানে প্রথম জানাযা সম্পন্ন হয়।

গত ১২ মার্চ নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার একটি বিমান বিধ্বস্ত হলে ২৬ বাংলাদেশিসহ ৪৯ জন নিহত হন। বাংলাদেশিদের মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ শনাক্ত করে তা আজ দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি অসিত বরণ সরকার বলেন, শনিবার ১৭ জনের পর রোববার আরও ছয়জনকে শনাক্ত করা গেছে। “নিহত ২৬ জন বাংলাদেশির মধ্যে তিনজনকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তাদেরও শনাক্তের সব ধরনের চেষ্টা চলছে।”

এই ২৩ জনের মধ্যে পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশীদ এবং কেবিন ক্রু খাজা হোসেন মো. শফি ও শারমিন আক্তার নাবিলা রয়েছেন।

যাত্রীর মধ্যে ফয়সাল আহমেদ, বিলকিস আরা, বেগম হুরুন নাহার বিলকিস বানু, আখতারা বেগম, নাজিয়া আফরিন চৌধুরী, রকিবুল হাসান, হাসান ইমাম, আঁখি মনি, মিনহাজ বিন নাসির, ফারুক হোসেন প্রিয়ক, তার মেয়ে প্রিয়ন্ময়ী তামারা, মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহিরা তানভিন শশী রেজা, বেগম উম্মে সালমা, মো. নুরুজ্জামান, রফিক জামান, তার স্ত্রী সানজিদা হক বিপাশা, তাদের ছেলে অনিরুদ্ধ জামানকে শনাক্ত করা হয়েছে।

ইউএস-বাংলার ফ্লাইট বিএস২১১ গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হলে ৭১ আরোহীর মধ্যে ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি বলে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে এর আগে জানানো হয়েছে।

মরদেহ হস্তান্তরের জন্য স্বজনদের ওই সময়ই উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।