২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্তের নতুন রেকর্ড; মৃত বেড়ে ৩৮৬

0
448

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬১৭ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময় মারা গেছেন ১৬ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ২১৪ জন।

এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ২৬ হাজার ৭৩৮ জন করোনায় সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হলেন। আর মোট মারা গেছেন ৩৮৬ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ২০৭ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ১৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৬ জনের মধ্যে পুরুষ ১৩ জন, নারী ৩ জন। আর বিভাগের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ জন, সিলেট বিভাগের ১ জন, রংপুর বিভাগের ৩ জন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ১২ জন এবং বাসায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৪ জন।

মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১০ বছরের মধ্যে ১ জন,  ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী ১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ২ জন ও ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১ জন মারা গেছেন। 

বুলেটিনে বলা হয়, দেশে এখন ৪৩টি ল্যাবে করোনা পরীক্ষা করা হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্তে আরো ১১ হাজার ১৩৮ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১০ হাজার ২০৭টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ২ লাখ ৩ হাজার ৮৫২টি। 

আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টিন প্রসঙ্গে বলেন গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৩০০ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৩ হাজার ৮১৬ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১০০ জন, এখন পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন ১ হাজার ৮৯৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ৪ হাজার ১১ জনকে। এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৫১ হাজার ৫০২ জনকে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ছাড়া পেয়েছেন ২ হাজার ২৮৭ জন, এখন পর্যন্ত ছাড়া পেয়েছেন ১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬১ জন। বর্তমানে দেশে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৫২ হাজার ৯৪১ জন।

আপনার সুস্থতা আপনার হাতে উল্লেখ করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলতে সকলের প্রতি আহবান জানান ডা. নাসিমা সুলতানা।