৪০০ বছর পর মন্দিরে পুরুষদের প্রবেশের অনুমতি

0
82

মার্জিয়া হাসান:

ভারতের একটি মন্দিরে চার শতাব্দীরও বেশি সময় পর পুরুষরা প্রবেশের অনুমতি পেয়েছেন। উড়িষ্যা রাজ্যের ওই মন্দিরে পুরুষদের প্রবেশ একেবারে নিষিদ্ধ ছিল।

গত ৪ শ’ বছর ধরে কড়াকড়িভাবেই মানা হচ্ছিল এই নিয়ম। তবে সম্প্রতি মন্দিরে পানি প্রবেশের আশঙ্কায় মুর্তি সরানোর জন্যই ৫ পুরুষকে এই মন্দিরে ঢোকার অনুমতি দেয়া হয়।

উড়িষ্যার শতভয়া গ্রামে‘মা পাঞ্চুবারাহি’মন্দিরে পুরুষদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। শুধু দলিত নারীরাই এখানে প্রবেশ করতে পারতেন।

ওই মন্দির দেখাশোনাও করেন পাঁচজন দলিত নারী পুরোহিত। প্রতিদিনের পূজাপাঠও তারাই করেন। বিগত ৪০০ বছরে এর ব্যতিক্রম হয়নি কখনো।

বৈশ্বিক উষ্ণতায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়তে থাকায় হুমকির মুখে পড়েছে সৈকতের একেবারে কাছেই অবস্থিত মন্দিরটি। স্থানীয়দের বিশ্বাস, প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে এই মন্দিরটি তাদের রক্ষা করে।

কিন্ত ওই গ্রামে পানি ওঠায় আশঙ্কায় ধারণা করা হচ্ছিল মন্দিরের পঞ্চবিগ্রহ গুলে ডুবে যেতে পারে। তাই ১২ কিলোমিটার দূরে নির্মিত নতুন মন্দিরে মূর্তিগুলো সরানো জরুরী হয়ে পড়ে।

লেখক: মার্জিয়া হাসান

মন্দিরে অবস্থিত পাঁচটি মূর্তির প্রত্যেকটির ওজন দেড় টনের মতো হওয়ায় নারীদের পক্ষে সেগুলো সরানো সম্ভব ছিল না।

তাই ২০ এপ্রিল নারী পুরোহিতরা পাঁচজন পুরুষকে মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে মূর্তিগুলো সরানোর কথা বলেন। এর মাধ্যমে ওই মন্দিরে প্রথমবারের মত প্রবেশ করতে পারলেন পুরুষরা।

সাগরের কারণে শতভয়া গ্রামের অনেকটা অংশই হারিয়ে গেছে। ১৯৩০ সালে এর আয়তন ছিল ৩৫০ বর্গ কিলোমিটার। আর এখন এর আয়তন দাড়িয়েছে মাত্র ১৪০ কিলোমিটার এ ।