৫৫ লাখ বসতবাড়ি পরিণত হতে যাচ্ছে খামারে ( ভিডিও )

0
248

রাকিব হাসান :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের প্রকল্প-একটি বাড়ি একটি খামার। গ্রামীন জনগোষ্ঠীকে সাবলম্বী করার মধ্যমে অর্থনীতিকে আরো এগিয়ে নিতে ২০০৯ সালে প্রকল্পটি হাতে নেয় সরকার। ২০২০ সালের মধ্যে সংগঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মধ্যম আয়ের উদ্যোক্তা তৈরী করাই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানান প্রকল্প পরিচালক।

বাংলাদেশের প্রায় ৮০ শতাংশ লোকের বসবাস গ্রামে। ভূমি এবং জনগণ হলো পল্লী অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি। পল্লী অঞ্চলের উন্নয়নের উপরই নির্ভরশীল দেশের সার্বিক উন্নয়ন।

দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গ্রামের প্রতিটি বাড়িকে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দু এবং প্রতিটি গ্রাম সংগঠনকে একটি স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০০৯ সাল থেকে সরকার হাতে নেয় একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প।

প্রাথমিকভাবে প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৪ সাল হলেও পরবর্তীতে তা বৃদ্ধি করে ২০২০ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
২০২০ সালের মধ্যে ৯১ হাজার সংগঠন তৈরী করে ৫৫ লক্ষ দরিদ্র পরিবারকে প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

ক্ষুদ্র ও মধ্যম আয়ের উদ্যোক্ত তৈরীর প্রচেষ্টা থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবল সংকটের কারনে প্রকল্পের কাজ অনেকটাই পিছিয়ে পরেছে বলে জানান প্রকল্প পরিচালক।

প্রকল্পের বর্তমান মূলধন ৫ হাজার ১শ ৪৪ কোটি টাকা। প্রাথমিকভাবে ১৯৩২টি ইউনিয়নে প্রকল্পের কাজ চলমান থাকলেও পরবর্তীতে দেশের সকল ইউনিয়নে বিস্তৃতি করা হয়।

এখন পর্যন্ত ৪০ লক্ষ দরিদ্র পরিবার এই প্রকল্পের আওতায় এসেছে, তবে সফলভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন ১৫ লক্ষ পরিবার। প্রকল্পের আওতায় হাসঁ-মুরগী, পশুপালন, মৎসচাষসহ কৃষিকাজ করে সাবলম্বি হয়েছেন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

এদিকে সরকারের এধরণের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও ঋন প্রাপ্তির পদ্ধতিকে কিছুটা জটিল বলে মনে করেন সমাজ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক তৌহিদুল হক।

তবে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে এই প্রকল্পে বর্তমান সরকার সফল বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।