৭ম বোলার হিসেবে ৫০০ টেস্ট উইকেটের মাইলফলকে ব্রড

0
280

টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সপ্তম বোলার হিসেবে ৫০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন স্টুয়ার্ট ব্রড। ম্যানচেস্টারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলমান সিরিজের শেষ টেস্টের পঞ্চম দিনে ক্রেইগ ব্রাথওয়েটকে এলবিডব্লিউ করে এই অভিজাত ক্লাবে জায়গা করে নেন ৩৪ বছর বয়সী ইংলিশ পেসার।

ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ম্যাচের তৃতীয় দিনেই ৪৯৯ উইকেট পেয়ে যান এই ইংলিশ পেসার। কিন্তু বৃষ্টির কারণে চতুর্থদিন মাঠে গড়ায়নি একটি বলও। ফলে মাইলফলক স্পর্শ করতে অপেক্ষা করতে হয় ব্রডকে।

তবে টেস্টের শেষ দিন একটি উইকেটের প্রত্যাশায় বোলিং শুরু করে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ব্রডকে। উইন্ডিজ ওপেনার ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটকে প্যাভিলিয়নে ফিরিয়ে ৭ম বোলার হিসেবে পাঁচশ উইকেটের চূড়ায় পৌঁছেন ব্রড।

তালিকায় সপ্তম হলেও পেসারদের মধ্যে ৫০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করার ক্ষেত্রে চতুর্থ অবস্থানে আছেন ব্রড। তার আগে এই চূড়া ছুঁয়েছেন ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি পেসার কোর্টনি ওয়ালশ, অজি কিংবদন্তি গ্ল্যান ম্যাকগ্রা ও স্বদেশি সতীর্থ জেমস অ্যান্ডারন।  এছাড়া অ্যান্ডারসনের পরে ইংলিশদের মধ্যে দ্বিতীয বোলার হিসেবে এই মাইলফলকে পা রেখেছেন ব্রড। এর আগে মুত্তিয়া মুরালিধরন (৮০০), শেন ওয়ার্ন (৭০৮), অনিল কুম্বলে (৬১৯), অ্যান্ডারসন (৫৮৯), গ্লেন ম্যাকগ্রা (৫৬৩) এবং কোর্টনি ওয়ালশ (৫১৯) পাঁচশ উইকেট শিকার করেছিলেন।

চলতি উইজডেন ট্রফি বিভিন্ন কারণে ব্রডের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। অপ্রত্যাশিতভাবে প্রথম ম্যাচে বাদ পড়েন ব্রড, পরবর্তী সময়ে এ নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেন ব্রড। এরপর ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দ্বিতীয় টেস্টে মূল একাদশে ফেরানো হয় ব্রডকে। ফলে ৪৮৫ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে সিরিজ শুরু করে ব্রড।

সে ম্যাচের মধ্য দিয়ে অনন্য এক কীর্তির ভাগীদার হন ব্রড। যেখানে তার সঙ্গী ছিলেন বাবা ক্রিস ব্রড। ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ছেলের ক্রিকেটে নজর রাখার দায়িত্ব পান বাবা। কারণ সে ম্যাচে ক্রিস ছিলেন ম্যাচ অফিসিয়াল। সে ম্যাচে ছয় উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে সিরিজে সমতা ফেরাতে সাহায্য করেন ব্রড। তবে তৃতীয় ম্যাচে আছেন আগুনে ফর্মে। উইন্ডিজের দুই ইনিংস শেষ হওয়ার আগে ম্যাচে ৯ উইকেট শিকার করে ফেলেছেন ব্রড। নিজেও জায়গা করে নিলেন ক্রিকেট ইতিহাসের এক অভিজাত ক্লাবে।