বাবু ও রবিউল: দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গণের সাথে শুরু থেকেই মাইটিভির রয়েছে গভীর সম্পর্ক। ৯০এর দশকের মাঝামাঝিতে হল বিমূখ দর্শকদের নিয়মিত বাংলা ছবি প্রদর্শনের মাধ্যমে এই শিল্পকে বাাঁচিয়ে রাখার অবিরাম চেষ্টা মাইটিভির।

এছাড়া চলচ্চিত্র বিষয়ক বিভিন্ন অনুষ্ঠান নির্মাণ ও সংবাদ প্রচার অব্যহত রাখে। ফলশ্রুতিতে চলচ্চিত্র শিল্পী ও কলাকূশলীদের সাথে দর্শকদের রচিত হয় এক অদৃশ্য সম্পর্কের সেতুবন্ধন।

অতীতের কথা স্মরণ রেখেই মাইটিভির শুভ জন্মদিনে চলচ্চিত্র শিল্পীরাও মাইটিভির প্রতি জানিয়েছেন তাদের আন্তরিক ভালবাসার কথা।

দুই বাংলার জনপ্রিয় স্বনামধন্যা চিত্রনায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত বলেন, মানুষের  কাছে যেন মাইটিভি আরো  পৌছাতে পারেন সেই জন্য তিনি মাইটিভির উত্তরাত্তর কামনা করেছেন।

 

চিত্রনায়ক ফারুক বলেন, শিল্পীদের যে ঘটনাবলি চলে আসে তার সঠিকতা বিশেষ করে মিডিয়ার মধ্যে বিভাজনের যে বিষয়বস্তুগুলো রয়েছে তা দারুণভাবে দর্শকদের সামনে বহুলাংশে উপস্থাপনা করে মাইটিভি।

চিত্রনায়ক সোহেল রানা বলেন, চলচ্চিত্রের ক্লান্তিলগ্নে চলচ্চিত্রে মাইটিভির যে অবস্থান তার দ্বারের কাছে নেই অন্য কোনো চ্যানেল নেই।

চিত্র নায়িকা পপি বলেন, অনেকটা সময় পাড় করেছে মাইটিভি।

মাইটিভি চলচ্চিত্র পরিবারের একটি অংশ।বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিল্পী কলা কৌশলীদের চ্যানেলটি ধারণ করে। শুভ জন্মদিন মাইটিভি।

চিত্র নায়ক অমিত হাসান বলেন, মাইটিভির জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। অক্লান্ত পরিশ্রমের এই চ্যানেলটি আরো সামনে এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশা করি।  আরো আনন্দ নিয়ে মাইটিভি ভালো থাকুক।

চিত্রনায়ক আলেকজ্যান্ডার বো বলেন, মাইটিভি গণমানুষের কথা বলে।

আমাদের দর্শকরা যখন হলে গিয়ে সিনেমা দেখতে চায় না তখন ঘরের দর্শকদেরকে বের করে আনার কাজটি করা প্রচেষ্টা ছিল মাইটিভির।

চিত্রনায়ক জায়েদ খান বলেন, মাইটিভি আছে বলে আমরা আছি।

মাইটিভির কর্ণধার বাংলাদেশের প্রতি ও বাংলা সংস্কৃতির প্রতি তার দারুণ ভাবনা রয়েছে। মাইটিভি চলচ্চিত্রের কথা বলে।