নৌবাহিনী আজ ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হতে যাচ্ছে

pm_tv_

বঙ্গবন্ধুর চিন্তা ছিলো নৌবাহিনীকে আরো অনেক সম্বৃদ্ধ করা। কিন্তু তিনি তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার আগেই সবাইকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তাই বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের মত নৌবাহিনী আজ ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) সকালে নবনির্মিত দুটি এলসিটি নৌবাহিনীতে যুক্ত করা উপলক্ষে বাগেরহাটের মংলার নেভাল বার্থ, দ্বিগরাজে তিনি এ সব কথা বলেন।

এদিন বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে বানৌজা কে জে আলী, বানৌজা সন্দীপ ও বানৌজা হাতিয়ার কমিশনিং, নবনির্মিত এলসিটি-১০৩ ও এলসিটি-১০৫ নৌবাহিনীতে সংযুক্তি করা হয়। এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, আজ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্রমাগত অগ্রযাত্রার আরেকটি ধাপ উন্মোচিত হলো। দিনটি শুধু বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্যই নয়, সমগ্র দেশ ও জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরবের।

আধুনিক নৌবাহিনী গঠনে আওয়ামী লীগ সরকারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অগ্রযাত্রা বেগবান হয়। সে সময়ে অত্যাধুনিক মিসাইল ফ্রিগেট বানৌজা বঙ্গবন্ধু, লার্জ পেট্রোল ক্রাফট মধুমতি, পেট্রোল ক্রাফট বরকত, তিতাস, কুশিয়ারা, ট্যাংকার ইমাম গাজ্জালী নৌবাহিনীতে কমিশন করা হয়। বানৌজা শৈবালকে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ জাহাজ হিসেবে রূপান্তরিত করা হয়।

শান্তিরক্ষা মিশনে নৌবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ২০১০ সাল থেকে লেবাননে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বানৌজা ওসমান ও মধুমতি মোতায়েন হয়েছিল।

বর্তমানে সেখানে বানৌজা আলী হায়দার ও বানৌজা নির্মূল মোতায়েন রয়েছে। একই ভাবে মালি ও সম্প্রতি দক্ষিণ সুদানে পূর্ণাঙ্গ নৌকন্টিনজেন্টগুলো শান্তিরক্ষা মিশনে মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি জেনে খুশি হয়েছি যে, তারা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দক্ষতার সঙ্গে গত এক বছর যাবত দায়িত্ব পালন করে দেশের জন্য সুনাম বৃদ্ধি ও ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করছে।

জাবি/শে/জা/ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com